নতুন মন্ত্রিসভা শপথ অনুষ্ঠানে আসছেন শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্য ও গণমাধ্যমমন্ত্রী ড. নলিন্দ জয়তিসা আগামীকাল ঢাকায় পৌঁছাবেন। শ্রীলঙ্কা সরকারের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি আমন্ত্রিত হয়েছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস-এর উদ্যোগে শ্রীলঙ্কাসহ ১৩টি দেশের নেতা বা প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা-য় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। সকাল ১০টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন-এর কাছে শপথ নেবেন। বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ড. নলিন্দ জয়তিসা বর্তমানে শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও গণমাধ্যমমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা, চিকিৎসা পর্যটন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দুই দেশের পারস্পরিক সম্পৃক্ততা উল্লেখযোগ্য। তার এ সফরে স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ রপ্তানি এবং চিকিৎসা প্রযুক্তি বিনিময় নিয়ে আলোচনা এগোতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অন্য দেশগুলো হলো—চীন, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।
নরেন্দ্র মোদী আমন্ত্রিত থাকলেও তিনি ঢাকায় আসছেন না। দিল্লিতে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠকের ব্যস্ততার কারণে তার সফর সম্ভব হচ্ছে না। তার পরিবর্তে ওম বিরলা এবং বিক্রম মিশ্রী ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এছাড়া তশেরিং তোবগে এবং নেপাল ও মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিজ্ঞাপন
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে শপথ অনুষ্ঠানকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিদেশি প্রতিনিধিদের উপস্থিতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রতি আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রায় এক হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের মিশনের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।








