স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে যা লিখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে স্মৃতিসৌধে পৌঁছে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং একটি বার্তা লিখে যান।
বিজ্ঞাপন
পরিদর্শন বইয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। ফ্যাসিবাদী শাসন শোষনের অবসানের পর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পথে নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। আমি আল্লাহর পর নামে শুকরিয়া জানাই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নবগঠিত মন্ত্রীসভাসহ আমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্ন শ্রদ্ধা নিবেদন করছি যাদের আত্মত্যাগে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ দেশের ইতিহাসে এ যাবৎকালে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতিও আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
বিজ্ঞাপন
বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এবং আমরা বিশ্বাস করি, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা কাজ শুরু করেছি। আল্লাহ যেন আমাদেরকে জনগণের সামনে ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের তৌফিক দান করেন। আমি আবারো আল্লাহর দরবারে সকল শহীদের মাগফিরাত কামনা করছি।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এরপর নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরাও শপথ গ্রহণ করেন। এর মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রায় দুই দশক পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করল।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে। দলটির নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকরা আরও তিনটি আসন পায়। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে সরকার গঠন করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট।








