১০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন ইশরাক হোসেন

ঢাকা-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন নির্বাচনি এলাকার উন্নয়নে ১০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি রমজানকে সামনে রেখে তাৎক্ষণিক কর্মসূচি এবং ঈদের আগে-পরে বাস্তবায়নযোগ্য ধারাবাহিক পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন।
প্রথম ১০ দিনের অগ্রাধিকার:
বিজ্ঞাপন
প্রথম ধাপের কর্মসূচিতে রয়েছে গ্যাস-সংকট মোকাবিলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শক্তিশালী করা, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং যানজট কমানো।
আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, স্থানীয় থানাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে পাড়া-মহল্লায় টহল বাড়ানো হবে এবং নিষ্ক্রিয় পুলিশ ফাঁড়িগুলো দ্রুত চালু করা হবে। ছিনতাই, চুরি ও সড়ক অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি।
মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, এলাকার সব মাদক স্পট বন্ধ করা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজনে বিদেশে অবস্থানরত কারবারিদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞাপন
বাজার ও যানজট নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ:
নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার ও আকস্মিক পরিদর্শনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মজুদদারদের বিরুদ্ধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-এর ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ে যৌথ অভিযান এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
যানজট নিরসনে ঢাকা মহানগর পুলিশ-এর ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো সচল রাখা, অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ঈদের আগে-পরে দ্বিতীয় ধাপের পরিকল্পনা:
ঈদের আগে ও পরের সময়ের জন্য ‘প্রাধান্য স্তর-২’ নামে আরও একটি কর্মপরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। এতে প্রতিটি ওয়ার্ডের সড়ক সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেন ক্যামেরার মাধ্যমে পরীক্ষা করে পরিষ্কার করা, এলাকা নিয়মিত ধোয়ামোছা রাখা এবং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের কথাও বলা হয়েছে। ওয়াসা ও তিতাস গ্যাসসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ঢাকা-৬ আসনকে আরও আধুনিক ও বাসযোগ্য করে তোলাই তার লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন।








