ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

দেশে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুসংহত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞাপন
বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐক্য, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। সভায় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা কেবল সরকারের দায়িত্ব নয়; বরং এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্ব।
বিজ্ঞাপন
সভায় সামাজিক বৈষম্য হ্রাস এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
এর আগে একই দিন সকাল ১০টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মদিবস শুরু করেন। সেখানে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
বিজ্ঞাপন
কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন পর সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অনেককে নাম ধরে ডেকে কুশল বিনিময় করেন এবং আন্তরিক আলাপচারিতায় অংশ নেন।
ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকারের এ উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাজকে এগিয়ে নিতে এ ধরনের বৈঠক ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








