হোম অফিস ও ছুটি নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিজ্ঞপ্তি ‘ভুয়া’: মন্ত্রণালয়

জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন ও সপ্তাহে কয়েকদিন হোম অফিস চালুর বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পত্রকে ‘ভুয়া’ বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্মারক পত্র ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয়—সরকারি অফিস সপ্তাহে নির্দিষ্ট কয়েকদিন পরিচালিত হবে এবং বাকি দিনগুলোতে অনলাইনে হোম অফিস কার্যক্রম চলবে। তবে এ ধরনের কোনো নির্দেশনা সরকারিভাবে জারি করা হয়নি বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে অফিস সময়সূচি পরিবর্তন এবং সপ্তাহে তিন দিন অফিস চালুর কথা উল্লেখ করে যে স্মারক পত্রটি প্রচার করা হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো চিঠি বা নির্দেশনা ইস্যু করা হয়নি বলে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ছড়িয়ে পড়া ওই ভুয়া পত্রে একটি নির্দিষ্ট স্মারক নম্বর উল্লেখ করে দাবি করা হয় যে, অফিসের কার্যক্রম রবিবার, সোমবার ও মঙ্গলবার সশরীরে পরিচালিত হবে এবং বুধবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে বা ই-নথির মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করা হবে। এছাড়া অফিস সময় সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণের কথাও উল্লেখ ছিল।
তবে যাচাই করে দেখা গেছে, ওই পত্রে উল্লিখিত স্বাক্ষরকারী কর্মকর্তা হিসেবে যে নাম ব্যবহার করা হয়েছে, সেই নামে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় কোনো কর্মকর্তা নেই। পাশাপাশি ব্যবহৃত সিল, ফন্ট এবং বিন্যাসও সরকারি দাপ্তরিক নথির প্রচলিত মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, সরকারিভাবে কোনো নীতি বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে তা যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত গুজব বা ভুয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিভ্রান্ত না হয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।








