‘বাংলার জয়যাত্রা’ নিয়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে

হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে না পারা বাংলাদেশি জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’কে ঘিরে কূটনৈতিক পর্যায়ে সক্রিয় যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রামে ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের ২৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থী রেটিংসদের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশে জ্বালানি খাতে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা চলছে। এর প্রমাণ হিসেবে বিপুল পরিমাণ মজুতকৃত ডিজেল উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বাস্তবে জ্বালানি নিয়ে কোনো সংকট নেই, যদিও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সরকার নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটরের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ, বন্দরের আয় এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সম্ভাবনাসহ সব দিক বিবেচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
মেরিটাইম খাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। সমুদ্র খাতে দেশের অগ্রযাত্রায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।
বিজ্ঞাপন
ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পেশাগত জীবনে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। জাহাজ পরিচালনা হোক বা নৌ চলাচল—যেখানেই কাজ করা হোক না কেন, দক্ষতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় দুর্গম মনে হলেও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করা সম্ভব হয়েছে। সমুদ্র খাতে উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।








