মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করলে তা ‘দ্বিগুণ অপরাধ’

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়া অনুচিত। তার ভাষায়, শহীদ পরিবারের কেউ এমন রাজনীতি করলে সেটি ‘দ্বিগুণ অপরাধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞাপন
বক্তব্যে ফজলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নির্মিত। এই দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শ ও আত্মত্যাগ চিরকাল অমলিন থাকবে এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি কখনোই বিজয়ী হতে পারবে না।
তিনি বলেন, সংসদে তার বক্তব্যের পর অনেকে সমালোচনা করতে পারেন। তবে তার অবস্থান স্পষ্ট—মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকার বা বিকৃত করার কোনো সুযোগ নেই।
বিজ্ঞাপন
বিরোধী দলের এক নেতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কেউ যদি নিজেকে শহীদ পরিবারের সদস্য দাবি করেন এবং একইসঙ্গে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তবে সেটি গুরুতর সাংঘর্ষিক অবস্থান।
ফজলুর রহমান আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। তার দাবি, সে সময় শিল্প-সংস্কৃতির নানা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছিল এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার জন্য ৩০ লাখ মানুষের আত্মত্যাগের বিষয়টি ঐতিহাসিক সত্য। এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
বিজ্ঞাপন
নিজের নিরাপত্তা নিয়ে অতীতের এক ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, একসময় তার বাসার সামনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সে সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাকে নিরাপত্তা দেয়।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নানা প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়েই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জনগণ শেষ পর্যন্ত সঠিক সিদ্ধান্তই দিয়েছে।








