মানবপাচারে জড়িত ট্রাভেল এজেন্সি নিয়ে জরুরি সতর্কবার্তা

মানবপাচারের অভিযোগে আলোচিত কিছু ট্রাভেল এজেন্সির কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি একটি সংবাদ প্রকাশের পর জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় এ বিষয়ে জরুরি ব্যাখ্যা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (১০ মে) মন্ত্রণালয়ের এক তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়, মানবপাচারের অভিযোগে আলোচিত প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস’। এটি ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড’ নামের অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এক নয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি “রাশিয়ায় যুদ্ধে আট বাংলাদেশি” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি তদন্ত করা হয়। তদন্তে দেখা যায়, ড্রিম হোম ট্রাভেলস নামের প্রতিষ্ঠানটির ট্রাভেল এজেন্সি সনদের মেয়াদ ২০২১ সালের ৩ এপ্রিলেই শেষ হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক হিসেবে এম এম আবুল হাসানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সরকারি ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপকক্ষের আওতাধীন আইন অনুযায়ী দেশে ট্রাভেল এজেন্সি পরিচালনার জন্য বৈধ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে নিবন্ধন ও নবায়নের সব কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করতে হয়।
মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নিবন্ধন ছাড়া অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে ট্রাভেল ব্যবসা পরিচালনা সম্পূর্ণ বেআইনি। সাম্প্রতিক সময়ে এমন অনেক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে, যারা নবায়ন না করেই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা ও হয়রানিতে জড়াচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
এ অবস্থায় সাধারণ ভ্রমণকারী ও গ্রাহকদের অনিবন্ধিত কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিমান টিকিট বা ট্যুর প্যাকেজ কেনার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ও নবায়ন তথ্য যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে এসব তথ্য যাচাই করলে প্রতারণা ও আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।








