ভোগান্তি কমাতে চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের নির্দেশ

উত্তরাঞ্চলের ঈদযাত্রায় ভোগান্তি ও যানজট কমাতে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী সোমবার (২৫ মে) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ।
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, ঈদকে কেন্দ্র করে আগাম টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যাওয়ায় চন্দ্রা বাস টার্মিনালে থাকা বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির কাউন্টারগুলোতে সাধারণ যাত্রীরা টিকিট না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পাশাপাশি ঈদের সময় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগও পাওয়া যায়।
প্রশাসনের মতে, কাউন্টারগুলো খোলা থাকলে অনেক সময় বাস সড়কে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করে, এতে যানজট আরও বেড়ে যায়। এসব সমস্যার কারণেই কাউন্টার বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তরাঞ্চলের বেশিরভাগ দূরপাল্লার বাস ঢাকার গাবতলী থেকে যাত্রী নিয়ে চন্দ্রা এলাকায় পৌঁছায়। সীমিত আসন ও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে এখানে পরিবহন সংকট তৈরি হয়। ফলে ঈদের সময় লাখো যাত্রী চন্দ্রা হয়ে দেশের ২৬টি জেলায় যাতায়াত করেন। অনেকে বাস না পেয়ে ট্রাক বা পিকআপেও যাত্রা করেন।
হানিফ পরিবহনের চন্দ্রা কাউন্টারের মালিক আব্দুল মান্নান বলেন, কাউন্টার খোলা থাকলে বাসগুলো সড়কে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করে, এতে যানজট তৈরি হয়। পাশাপাশি টিকিট সংকট ও ভোগান্তি বাড়ে। এসব কারণে কাউন্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
অরিন ট্রাভেলসের কাউন্টার কর্মী ফজলুল ইসলাম জানান, ঈদের আগেই অধিকাংশ টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায়। অনেক যাত্রী কম ভাড়ার আশায় সড়কে দাঁড়িয়ে বাস খোঁজেন, এতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
বিজ্ঞাপন
গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৬ শতাধিক পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। যানজট নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।
তিনি আরও বলেন, সড়কের অবকাঠামোগত সমস্যার বিষয়টি সড়ক বিভাগের আওতাধীন। তবে যাত্রীদের ভাড়া বা হয়রানি সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে নিকটস্থ পুলিশ বক্সে জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








