তিস্তার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক প্লাবনের আশঙ্কা

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। অন্যদিকে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা নদীর পানি লালমনিরহাট, নীলফামারী ও রংপুরের কিছু এলাকায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে তিস্তা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (৯ আগস্ট) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্যবেক্ষণাধীন নদ-নদীগুলোর মধ্যে একটি নদী একটি জেলার একটি পর্যবেক্ষণ স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ওই এলাকার নদীতীরবর্তী মানুষদের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এদিকে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী একদিন এসব নদীর পানি বাড়তে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা নদী লালমনিরহাট, নীলফামারী ও রংপুর জেলার কিছু স্থানে সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে এসব নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
সুরমা-কুশিয়ারা নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী একদিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন আরও কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। বিপরীতে যমুনা নদীর পানি বেড়েছে। তবে আগামী পাঁচ দিন যমুনার পানি কমতে পারে। অন্যদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে, যা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
বিজ্ঞাপন
আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যের বরাতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী তিন দিন সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং এসব বিভাগের তৎসংলগ্ন উজান এলাকায় মাঝারি থেকে মাঝারি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। উজানে বৃষ্টিপাত হলে সংশ্লিষ্ট নদ-নদীগুলোর পানিপ্রবাহে তার প্রভাব পড়তে পারে।
এদিকে ভারতের উত্তর ওড়িশা ও তৎসংলগ্ন ঝাড়খণ্ডের ওপর একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এই লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ফলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানির ওঠানামার বিষয়টি আগামী কয়েক দিন পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে বলে পূর্বাভাসে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।








