Logo

সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সম্পদের কাস্টোডিয়ান: মঈন খান

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৭:০০
সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সম্পদের কাস্টোডিয়ান: মঈন খান
ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সম্পদের কাস্টোডিয়ান। তাই সীমিত সম্পদের অপচয় বন্ধ করে প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে পরিকল্পিত ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ভবনে অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, শুধু কাগজে-কলমে পরিকল্পনা তৈরি করলেই হবে না, পরিকল্পনার বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সম্পদ সীমিত হওয়ায় প্রয়োজন ও সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় রেখে কম ব্যয়ে সর্বোচ্চ ফল অর্জনের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের সেবা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উদ্যোগে এলজিইডি দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন ধারার সূচনা করে। এর ফলে বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামোর চিত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে নেওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনার সুফল আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরে দেশের মানুষ পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

ড. আবদুল মঈন খান আরও বলেন, বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনপদের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এলজিইডির কর্মকর্তাদের হাতে। তৃণমূলের মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়নে ইটের ব্যবহার কমিয়ে ইউনি ব্লক ও সিসি ব্লকের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। ৬ থেকে ৯ ফুট প্রশস্ত ছোট সড়কে ইটের পরিবর্তে এসব উপকরণ ব্যবহারের পাশাপাশি ভারী যানবাহন চলাচলের সড়কে প্রয়োজন অনুযায়ী আরসিসি, কার্পেটিং ও দেশীয় পাথর ব্যবহারের কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

নদীতীরবর্তী ও বন্যাপ্রবণ সড়কে মাটি ক্ষয়রোধে ‘বিন্যা ঘাস’ ব্যবহারের নির্দেশনাও দেন প্রতিমন্ত্রী।

এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও হাটবাজারসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। তার মতে, অতিরিক্ত উৎপাদিত বিদ্যুৎ নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হলে বিদ্যুৎ ব্যয় কমানোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়ও বাড়ানো সম্ভব।

বিজ্ঞাপন

নিজ নিজ দপ্তরে সোলার প্যানেল স্থাপনে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।

আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD