Logo

ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুন, ছেলের পর বাবারও মৃত্যু

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১২
ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুন, ছেলের পর বাবারও মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সূত্রাপুরের শ্যামবাজারে একটি কক্ষে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ মো. সিদ্দিক (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুজনে। এর আগে তার ছেলে ইমন (২৫) মারা যান।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত সোয়া ২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিদ্দিকের মৃত্যু হয়। তার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, সূত্রাপুর থানার শ্যামবাজারে আগুনের ঘটনায় দগ্ধ সিদ্দিক রাত সোয়া ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এর আগে গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ওই ঘটনায় দগ্ধ পাঁচজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে আরও তিনজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তাদের মধ্যে তানিয়া (১৮) শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। রাজিব (৩৫) ১৫ শতাংশ এবং ধলু মিয়া ওরফে আরিফ (৩৪) ৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে ইমন নিজের কক্ষে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় কক্ষে থাকা তার বাবা সিদ্দিকসহ পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন। পরে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বাসার সামনে ময়লা পানি জমে থাকা নিয়ে ইমনের বোন সুলতানার সঙ্গে তানিয়ার বাগবিতণ্ডা হয়। পরে সুলতানা সৌদি আরবে থাকা তার ভাই ইমনকে বিষয়টি জানান। পরদিন ইমন দেশে ফিরে আসেন।

বিজ্ঞাপন

ধলু মিয়ার স্ত্রী সোনিয়া আক্তারের দাবি, ঘটনার দিন বিকেলে ইমন সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এরপর তিনি নিজের কক্ষে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন বলে জানান সোনিয়া।

ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD