অপরাধী চক্র দমনে ২৪ বছর পর ফিরছে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’!

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধী চক্রের তৎপরতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। এতে ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো কঠোর কোনো অভিযান হতে যাচ্ছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে নতুন কোনো অভিযানের নাম বা কাঠামো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
বিজ্ঞাপন
২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ পরিচালিত হয়েছিল।
সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও আদাবরসহ কয়েকটি এলাকায় সন্ত্রাসী ও অপরাধী চক্রের তৎপরতা বেড়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে। এসব এলাকায় চিহ্নিত অপরাধীদের গতিবিধির ওপর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিক এলাকা, মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান ও আদাবরের শ্যামলী হাউজিংসহ কয়েকটি এলাকায় অপরাধী চক্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তাদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা মদদদাতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাকে তারা বিচ্ছিন্ন অপরাধ হিসেবে দেখছে না। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে বৃহত্তর কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মাঠপর্যায়ের অপরাধীদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা মদদদাতা ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাবেক আইজিপি নুরুল হুদার মতে, অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হলে শুধু মাঠপর্যায়ের সদস্যদের গ্রেপ্তার করলেই হবে না; তাদের পেছনে থাকা মূল হোতাদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
বিজ্ঞাপন
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ, র্যাব ও যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযানের প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ নামে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযান ঘোষণার তথ্য পাওয়া যায়নি।








