Logo

যুদ্ধে নয়, উন্নতি ও স্থিতিশীলতায় সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২০:১০
যুদ্ধে নয়, উন্নতি ও স্থিতিশীলতায় সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

কোনো যুদ্ধে জড়াতে চায় না বাংলাদেশ; বরং চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ পরাশক্তিগুলোর কাছ থেকে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধ, নিরাপত্তা সংকট, ভূখণ্ড দখল কিংবা শোষণের রাজনীতিতে আগ্রহী নয়। দেশের উন্নয়ন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার। বর্তমান বৈশ্বিক সংকট কোনো একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব বিশ্বজুড়েই পড়ছে। নিরাপত্তা ও জ্বালানি সংকটের ভুক্তভোগী এখন বিভিন্ন দেশ।

বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতা সহজে শেষ হওয়ার নয় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতা রয়েছে। পাশাপাশি অন্য পক্ষের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে অনীহার মানসিকতাও এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে জটিল করে তুলছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

ভারত ও চীনের অর্থনৈতিক অগ্রগতির তুলনা টেনে তিনি বলেন, ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে দুই দেশ প্রায় একই অবস্থানে ছিল। পরে চীন কৃষি থেকে উৎপাদনমুখী শিল্পে গুরুত্ব বাড়ায়, আর ভারত কৃষি থেকে সেবা খাতে বেশি মনোযোগ দেয়। এর ফলে চীন দ্রুত এগিয়ে যায় এবং অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় ভারত কিছুটা পিছিয়ে পড়ে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব সম্প্রদায়ের একটি অংশ এবং দেশটি স্থিতিশীলতা চায়, কারণ উন্নয়ন অব্যাহত রাখাই বাংলাদেশের লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো বড় অর্থনীতির দেশগুলো ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বের চাপ তুলনামূলকভাবে সামাল দিতে পারলেও বাংলাদেশের মতো ভোক্তানির্ভর অর্থনীতির জন্য এর প্রভাব বেশি পড়ে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রতিদিনের প্রধান চিন্তা খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তা। তাই যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতায় জড়ানোর মতো পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য কাম্য নয়।

বিজ্ঞাপন

তথ্যমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি কোনো সম্পর্ক না থাকলেও বৈশ্বিক সংঘাতের প্রভাবে দেশের জ্বালানি আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ ও অস্থিতিশীলতার অর্থনৈতিক চাপ সাধারণ মানুষের ওপরই পড়ে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD