ক্রীড়া কার্ডধারীদের পরিবহন ও বিমা সুবিধা দিবে সরকার

জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া কার্ডধারী খেলোয়াড়দের গণপরিবহনে বিশেষ ভ্রমণ সুবিধা, স্বাস্থ্যসেবা, জীবনবিমা ও ঝুঁকিবিমার আওতায় আনার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। খেলোয়াড়দের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের পেশাগত জীবনের পাশাপাশি পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (৪ অক্টোবর) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় এসব সুবিধা প্রদানের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উপায় নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সভায় ক্রীড়া কার্ডধারীদের গণপরিবহনে বিশেষ ভ্রমণ সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, জীবনবিমা ও ঝুঁকিবিমার আওতায় আনার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসব সুবিধা বাস্তবায়িত হলে খেলোয়াড়দের যাতায়াত ব্যয় কমানোর পাশাপাশি অসুস্থতা, দুর্ঘটনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে তাঁদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণকারী ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। একই সঙ্গে খেলোয়াড়দের পরিবারকে আর্থিক অনিশ্চয়তা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টিও এ পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে।
বিজ্ঞাপন
পর্যালোচনা সভায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সদস্য মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পরিচালক মো. আমিনুর রহমান এবং জীবনবিমা করপোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার আবু নাইম মো. মারুফ খান উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া বাংলাদেশ নৌপরিবহন মালিক সমিতির মহাপরিচালক ছিদ্দুকুর রহমান পাটোয়ারীসহ পরিবহন খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

ক্রীড়া কার্ডধারীদের জন্য এসব সুবিধা কার্যকর করা গেলে খেলোয়াড়দের পেশাগত নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নীতিগত সিদ্ধান্তের পর সুবিধাগুলো কীভাবে এবং কখন থেকে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত হবে।








