Logo

এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ার কারণ জানাল বিইআরসি

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১৯:৩৬
এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ার কারণ জানাল বিইআরসি
ছবি: সংগৃহীত

খুচরা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। একই সঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও লিটারে প্রায় ১২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

হঠাৎ দাম বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে বিইআরসি জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর অক্টোবরের প্রোপেন ও বিউটেনের সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস বা সৌদি সিপির ভিত্তিতে নতুন দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অক্টোবরে প্রোপেনের সৌদি সিপি প্রতি টন ৬৮০ ডলার এবং বিউটেনের ৭৩০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ ধরে প্রতি টন গড় সৌদি সিপি ৭১২ দশমিক ৫০ ডলার বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বরে প্রোপেনের সৌদি সিপি ছিল প্রতি টন ৬২৫ ডলার এবং বিউটেনের ৬৬০ ডলার। ওই মাসে গড় সৌদি সিপি ছিল ৬৪৭ দশমিক ৭৫ ডলার। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে গড় সৌদি সিপি প্রতি টনে ৬৪ দশমিক ৭৫ ডলার বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

অক্টোবরে এলপিজির মূল্য সমন্বয়ের সময় আমদানিতে জাহাজ ভাড়া ও ব্যবসায়ীর প্রিমিয়াম হিসেবে টনপ্রতি ২৫০ ডলার বিবেচনায় নিয়েছে বিইআরসি। সেপ্টেম্বরে এ খাতে ধরা হয়েছিল ১৬০ ডলার। ফলে এক মাসে এই খরচ টনপ্রতি ৯০ ডলার বেড়েছে।

অক্টোবরে এলপিজির দাম নির্ধারণে প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ১২৩ টাকা ১৮ পয়সা ধরা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ১২৩ টাকা ৩০ পয়সা।

এদিকে এলপিজির সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তবে দাম বাড়ানোর পরও বাজারে এলপিজির সরবরাহ সংকট কাটেনি। বিভিন্ন এলাকায় ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে। অটোগ্যাসের দাম বাড়ায় পরিবহন খাতেও এর প্রভাব পড়েছে।

এলপিজির বাড়তি দামের কারণে আবাসিক গ্রাহকদের পাশাপাশি বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীরাও চাপের মুখে পড়েছেন।

এলপিজির বাজারে চলমান অস্থিরতার জন্য ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকেরা একে অপরকে দায়ী করছেন। এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির অভিযোগ, ২০ সেপ্টেম্বরের পর আমদানিকারকেরা সরবরাহ প্রায় ৮০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছেন। ২৫ সেপ্টেম্বরের পর কয়েকটি ডিপো থেকেও সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাদের।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আমদানিকারকেরা। তাদের দাবি, কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD