গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব

আগামী গ্রীষ্মের আগেই দেশে সৌরবিদ্যুৎ খাত থেকে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আমিত। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ায় এ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বুধবার দুপুরে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। এ খাতের বিকাশে সরকার নীতিগত সহায়তা দিচ্ছে। এর ফলে ছোট পরিসরে উদ্যোক্তা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নীতি অনুসরণ করে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে ৬ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। তাঁর দাবি, দেশের কোনো রাজনৈতিক কার্যালয়ে এর আগে সৌর প্যানেল স্থাপনের নজির তাঁর জানা নেই।
বিজ্ঞাপন
এই উদ্যোগ অনুসরণ করে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও নিজেদের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু করতে আগ্রহী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
কৃষি খাতে জ্বালানি ব্যয় কমানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে সেচ পাম্পগুলো সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ডিজেল ও প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদন খরচও হ্রাস পাবে।
যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে স্থাপিত সৌর প্যানেলটি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। কার্যালয়ের নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ব্যবস্থাও রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিমন্ত্রীর ধারণা, বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুবিধা বিবেচনায় নিলে আগামী তিন থেকে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সৌর প্যানেল স্থাপনের ব্যয় উঠে আসতে পারে।
এদিকে, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী যশোর শহরের লালদিঘি পাড়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।








