ঢাকায় দূষণবিরোধী অভিযানে ৩২ মামলায় জরিমানা সাড়ে ২ লাখ টাকা

পরিবেশ অধিদপ্তরের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় একটি বিস্তৃত দূষণবিরোধী যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের মোট ১০টি ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়, যার মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর নিজস্ব ৩টি টিমের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করেছে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৯ নভেম্বর) অভিযানে বিআরটিএ, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, র্যাব, বিএনসিসি, বাংলাদেশ স্কাউট, গ্রিন ভয়েস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সসহ মোট ১০টি সংস্থা অংশ নেয়।
শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) ও উত্তরা এলাকায় শব্দদূষণ কমাতে দুটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৫টি মামলার মাধ্যমে ১১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ১২টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। পাশাপাশি বেশ কিছু যানবাহনের চালককে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদান করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মোটরযান থেকে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে আইইবি এলাকায় পরিচালিত অন্য মোবাইল কোর্টে ১৫টি মামলার মাধ্যমে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ধোঁয়া নির্গতকারী যানবাহনের চালকরা সতর্ককরণে অংশ নেন এবং পরিবেশবান্ধব চলাচলের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়।
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২২ অনুসারে নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণে বায়ুদূষণ প্রতিরোধে বসিলা, মোহাম্মদপুর ও উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় দুটি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এই অভিযানে ৮টি মামলার মাধ্যমে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং পার্শ্ববর্তী প্রতিষ্ঠাপনাগুলিকে বায়ুদূষণ কমানোর জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) অনুযায়ী নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয় ও সরবরাহের দায়ে উত্তরা এলাকায় পরিচালিত একটি মোবাইল কোর্টে ৫টি মামলার মাধ্যমে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাজার, সুপারশপ ও দোকান মালিকদের পলিথিন ব্যবহার বন্ধে সচেতন করা হয়েছে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষার জন্য দূষণবিরোধী এ ধরনের অভিযান ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে নিয়মিতভাবে চালানো হবে।








