নিখোঁজের একদিন পর মিলল কৃষকের মরদেহ, ২ জন কারাগারে

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে নিখোঁজের একদিন পর এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ দ্রুত তদন্ত চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
নিহত কৃষকের নাম হামিদুল মণ্ডল (৪৫)। তিনি ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মমতাজ মণ্ডলের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে ধানের টাকা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন হামিদুল মণ্ডল। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরদিন শনিবার সকালে গ্রামের পাশের একটি ধানক্ষেতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
বিজ্ঞাপন
খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তদন্ত শুরু করে। তদন্তে উঠে আসে, হামিদুল মণ্ডলকে প্রথমে একটি বেগুনক্ষেতে মারধর করে হত্যা করা হয়। পরে হত্যাকাণ্ড আড়াল করতে মরদেহটি রাস্তার পাশের ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয়।
বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহাদত হোসেনের নির্দেশে শেরপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজীব শাহরিনের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। শেরপুর থানার ওসি ইব্রাহিম আলীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সোমবার বিকেলে দুইজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন মো. আতিক হাসান (২১) এবং মো. রাকিবুল হাসান সিয়াম (১৬)। তাদের বাড়ি জামালপুর গ্রামেই। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি মই ও রশি উদ্ধার করে আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি পুলিশের।
শেরপুর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী বলেন, আটককৃতদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। তদন্ত এখনো চলমান।








