অভিনেত্রী রিধির মৃত্যুর ঘটনায় প্রেমিক হাসিবুর গ্রেপ্তার

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে মডেল ও অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার বন্ধু হাসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে হাসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, রিধিকার মৃত্যুর ঘটনায় তার মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় হাসিবুর রহমানকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ওসি বলেন, ঘটনার দিন হাসিবুর রিধিকাকে দেখতে তার বাসায় এসেছিলেন। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে নিয়ম অনুযায়ী তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলাটি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
কী ঘটেছিল রিধির মৃত্যুর আগে
বিজ্ঞাপন
এর আগে শনিবার ভোর ৬টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে রিধিকা রিধির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
পরে দ্রুত তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করেন।
ভাটারা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম তখন জানিয়েছিলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
পুলিশের কাছে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, একজন ব্যক্তির সঙ্গে রিধিকার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার আগে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার সময় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভিডিও কলে থাকা অবস্থাতেই রিধি আত্মহত্যা করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে শেষ সময়ের ঘটনা
রিধিকার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলার পর তার বন্ধু হাসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা ঘটনার আগে রিধির সঙ্গে তার কী ধরনের যোগাযোগ হয়েছিল এবং মৃত্যুর ঠিক আগে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও ঘটনার পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণ করা হবে।








