সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বাসা থেকে মুরাদ গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা বোরহান উদ্দিন চৌধুরী মুরাদকে রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এই নেতাকে রবিবার (৯ আগস্ট) সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের গুলশানের বাসায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিজ্ঞাপন
বোরহান উদ্দিন চৌধুরী মুরাদ আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোতে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কে এই বোরহান উদ্দিন চৌধুরী মুরাদ
বোরহান উদ্দিন চৌধুরী মুরাদ আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সময়ে আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ছেলে আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনির ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও কাজ করেন তিনি।
একাধিক মামলার তথ্য পুলিশের
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মুরাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ আসামি করা হয় মামলায়
২০২৪ সালের অক্টোবরে আনোয়ারা থানায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় বোরহান উদ্দিন চৌধুরী মুরাদকেও আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া আনোয়ারা থানায় তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
দেখানো হবে শ্যোন অ্যারেস্ট
মুরাদকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, তিনি বোরহান উদ্দিন চৌধুরী মুরাদকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়েছেন।
ওসি জানান, আনোয়ারা থানায় মুরাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে।
বিজ্ঞাপন
গুলশানের একটি বাসা থেকে আওয়ামী লীগ নেতার গ্রেপ্তারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর তদন্ত ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রম এখন গুরুত্ব পাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিদ্যমান মামলাগুলোতে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।







