কক্সবাজারে ২ বছরের ডাকাতির চক্র শনাক্ত, মূলহোতা গ্রেপ্তার

কক্সবাজারে গত দুই বছরে সংঘটিত আলোচিত বিভিন্ন ডাকাতি ঘটনায় জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রটিকে শনাক্ত এবং চক্রটির মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছে পুলিশ। আর চক্রটির সদস্যরা বিশেষ একটি মাইক্রোবাস ব্যবহার করে টার্গেট করা বসত ঘর বা স্থাপনায় ১০ থেকে ১২ মিনিটের মধ্যে ডাকাতি সংঘটন করে সটকে পড়ত। এমন কি বড় ধরণের ডাকাতি সংঘটনের পর চক্রটির সদস্যরা গাড়ীটির রঙ পরিবর্তন করে নিত। এছাড়া চক্রটি মধ্যরাত থেকে ভোর রাত পর্যন্ত- এমন কি দিনদুপুরেও সড়কে ব্যারিকেড দিয়েও ডাকাতি সংঘটন করত।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মো. সাজেদুর রহমান।
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের অপরাধ চিত্র তুলে ধরতে জেলা পুলিশ এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে মো. সাজেদুর রহমান বলেন, গত ২ বছরে কক্সবাজারে সংঘটিত বিভিন্ন আলোচিত ডাকাতির ঘটনায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র জড়িত। চক্রটির মূলহোতা শাহেন আলম ওরফে বাদল ডাকাতকে পুলিশ ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে। গত ২ বছরে তার নেতৃত্বে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় ৩০ টি মামলা রয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত ডাকাতি ঘটনার মামলায় সে আসামী।
এসময় পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, গেল কয়েক মাসে কক্সবাজারে ৫০ টির মতো হত্যাকান্ড, বেশ কিছু ডাকাতি, অপহরণ ও ছিনতাই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িত অন্তত ৪ শতাধিক অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ টেকনাফ ও ঈদগড়ে অপহরণ ও মানবপাচার চক্রের রহস্য উন্মোচন, একই সঙ্গে জমি বিরোধ ও ইয়াবা পাচার নিয়ে সক্রিয়দের ব্যাপারে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।
পাশাপাশি অপহরণ ও ডাকাতিকাজে ব্যবহৃত দুইটি মোটরসাইকেল ও একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে বলেও তথ্য দেন জেলা পুলিশ সুপার মো. সাজেদুর রহমান।
বিজ্ঞাপন








