জীবন দেব, কিন্তু ৭১ ও ২৪ রাজাকারদের হতে দেব না: ইশরাক

প্রতিনিধিত্বমূলক (পিআর) নির্বাচনি পদ্ধতি নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির নেতা ইশরাক হোসেন। তার আশঙ্কা, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব গভীর সংকটে পড়তে পারে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ইশরাক লিখেছেন, কেন একটি রাজনৈতিক দল এখন পিআর ব্যবস্থার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে? তার মতে, এর দুটি বড় কারণ থাকতে পারে।
প্রথমত, যদি কোনো দলের সম্ভাব্য ভোটের হার দেশের নিবন্ধিত ভোটারের তুলনায় খুবই কম হয়, তবে তারা পিআর পদ্ধতি ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে নিজেদের মার্কায় ভোট কাস্ট করাতে পারে। এর লক্ষ্য হতে পারে ক্ষমতা দখল অথবা দেশের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।
বিজ্ঞাপন
দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের ভেতরে কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী রয়েছে, যাদের একটি অংশ ভারতের প্রত্যক্ষ সমর্থন ও আশ্রয়ে সক্রিয়। গত ১৭ বছরে এমন কিছু গোষ্ঠীও তৈরি হয়েছে যারা ভারতের অঙ্গরাজ্যে পরিণত হওয়ার সমর্থক। ইশরাক আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এই গোষ্ঠীগুলো যদি পিআর ব্যবস্থার মাধ্যমে সংসদে প্রতিনিধিত্ব পায় এবং দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তখন সেটি ঠেকানো কঠিন হবে।
তিনি আরও লিখেছেন, এই দুই পরিস্থিতিই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। শুধু প্রতিবেশী ভারত নয়, বিশ্বশক্তির অন্যান্য রাষ্ট্রও এই সুযোগ কাজে লাগাতে চাইবে।
বিজ্ঞাপন
তার ভাষায়, “অতীতে যারা স্বাধীন বাংলাদেশ চায়নি এবং বর্তমানেও যারা পতিত হয়েছে তারাও স্বাধীন বাংলাদেশকে বিক্রি করেছে। দুই অবস্থাই এক। তাদের লক্ষ্য ক্ষমতা, আর দেশ চলে গেছে তাদের প্রভুদের হাতে।”
ইশরাক আরও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণ কখনো কোনো দালালের কাছে রাজপথ ইজারা দেয়নি। যারা দেশবিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত হবে, তাদের কঠিন জবাব দিতে হবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি লিখেন, “দেশের জন্য জীবন দিয়ে দেব, কিন্তু একাত্তরের আর চব্বিশের রাজাকারদের হতে কিংবা অন্য কোনো দেশের দালালের কাছে মাথানত করব না, ইনশাআল্লাহ।”








