খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে নেতাকর্মীদের ভিড়

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সদ্যপ্রয়াণের পর তাঁর কবর জিয়ারত করতে জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে ব্যানারে নেতাকর্মীরা দলে দলে সেখানে আসছেন।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল থেকেই বিভিন্ন পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীরা জিয়া উদ্যানে এসে খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করছেন।
এর আগে পরিবারের সদস্যদের জন্য কিছু সময় জিয়া উদ্যানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত রাখা হয়। সে সময় খালেদা জিয়ার নাতনি ও তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান, ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমানসহ নিকট আত্মীয়রা কবর জিয়ারত করেন। পরে এলাকাটি আবার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
ধানমন্ডি থেকে আসা মোখলেছুর রহমান নামের এক বিএনপি কর্মী বলেন, নেত্রীর কবর জিয়ারত করতে এসেছি। আল্লাহর কাছে তাঁর জন্য দোয়া করেছি, যেন তিনি জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব পান।
গেন্ডারিয়া থেকে পরিবারসহ আসা মুজিবুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করাই ছিল আমাদের আজকের উদ্দেশ্য।
জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর পাশের সড়কে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাস ও মাইক্রোবাসে করে নেতাকর্মীদের নামতে দেখা যায়। তারা ছোট ছোট মিছিল আকারে জিয়া উদ্যানে প্রবেশ করেন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানান।
বিজ্ঞাপন
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জিয়া উদ্যান এলাকায় পুলিশ ও বিজিবির সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থেকে আসা শাফিউর রহমান সাফি বলেন, জানাজার দিন অফিস থাকায় ঢাকায় আসতে পারিনি। গতকালও চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পারিনি। আজ ছুটি থাকায় রাতে রওনা দিয়ে সকালে এসে কবর জিয়ারত করেছি।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকের তৃতীয় ও শেষ দিন পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে তাঁর আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। আজ জুমার নামাজের পর সব মসজিদে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হবে।
গত ৩১ ডিসেম্বর বুধবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। দাফনের আগে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।








