‘ভোটের অধিকার বানচালের চেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছে। এই ভোটকে বানচালের কোনো চেষ্টা বাঞ্ছারামপুরসহ দেশের জনগণ মেনে নেবে না।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি বলেন, গত দুই দিনে নির্বাচনী পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে ভোটকেন্দ্রে লাঠিসোঁটা নিয়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান এবং বাঁশ জমা করার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বাঞ্ছারামপুরের বিভিন্ন এলাকায় পরিকল্পিতভাবে বাঁশের লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র জমা করছে। এটি একটি ভয়ংকর উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড, যা ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে।
জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছি, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ভয়ভীতি ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু সংসদ গঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; কার্যত এটি একটি গণভোট। জুলাই অনুমোদনের মাধ্যমে আগামী সংসদকে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের ক্ষমতা প্রদান করা হবে। ভোটকেন্দ্রে জালিয়াতি রোধে গণসংহতি আন্দোলন ও বিএনপি জোটের নেতাকর্মীরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। আমরা নিজেরা জালিয়াতি করব না, অন্য কাউকেও করতে দেব না। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, গণসংহতি আন্দোলনের পাশাপাশি বিএনপি ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা মাথাল প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক জনমত গড়ে তুলেছেন। আমরা মানুষের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হতে চাই। এজন্য একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক ভিপি একেএম মুসা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এম ইলিয়াস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম সাজ্জাদ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালে মুসা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ আকাশ, অবায়ক ভিপি মুজিব সহ প্রেসক্লাব বাঞ্ছারামপুরের সাংবাদিকবৃন্দ।
বিজ্ঞাপন








