ভোটে অর্থ না খরচ করায় মিলছে না প্রশাসনিক সহযোগিতা: ভিপি নুর

পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে প্রশাসনের একটি অংশের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে অর্থ ব্যয় না করায় প্রশাসনের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে গলাচিপা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ভিপি নুর।
ভোট দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সাধারণভাবে একটি নির্বাচনে প্রার্থীরা বিপুল অর্থ ব্যয় করেন, যা কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু তিনি এই নির্বাচনে কোনো অর্থ খরচ করছেন না বলেই প্রশাসনের একটি অংশ অসন্তুষ্ট।
আরও পড়ুন: ভোট দিয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
বিজ্ঞাপন
ভিপি নুরের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা আর্থিক প্রত্যাশা করছেন, যা তিনি পূরণ করছেন না। ফলে প্রশাসনের আচরণ নিরপেক্ষ থাকছে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রশাসন কোনো পক্ষের হয়ে কাজ করছে নাকি তাঁকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার কৌশল নিচ্ছে—সে বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।
নির্বাচনী অনিয়ম প্রসঙ্গে ভিপি নুর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যত উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা হোন না কেন, তাঁদের আইনের আওতায় আনতে যা প্রয়োজন, তাই করা হবে।
তিনি প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, কেউ যদি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম করেন, তবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, পটুয়াখালী-৩ সংসদীয় আসনে ভিপি নুরের পাশাপাশি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বহিষ্কৃত সদস্য হাসান মামুনও নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৯ হাজার ২০ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন।
এই আসনে ভোটারদের অংশগ্রহণ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা ও নজরদারি চলছে।








