সংসদের শোকে হাদি-আবরার-ফেলানীর নাম যুক্তের প্রস্তাব নাহিদের

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে উত্থাপিত শোকপ্রস্তাবে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ এবং সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের শিকার কিশোরী ফেলানী খাতুনের নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
বিজ্ঞাপন
তার প্রস্তাবের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ জানান, বিষয়টি বিবেচনা করে নামগুলো শোকপ্রস্তাবের তালিকায় যুক্ত করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় নাহিদ ইসলাম এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন সময়ের আন্দোলন ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত এসব ব্যক্তির আত্মত্যাগ জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হয়ে আছে। তাই তাদের নাম সংসদের শোকপ্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
নাহিদ ইসলামের প্রস্তাবিত তালিকায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি ছাড়াও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ এবং সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের শিকার কিশোরী ফেলানী খাতুনের নাম ছিল। তার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পরে শোকপ্রস্তাবের তালিকায় এই নামগুলো অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সম্মতি জানানো হয়।
এদিকে একই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান জাতীয় সংসদকে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণে সংসদকে আরও অর্থবহ করতে হবে।
বিজ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গত দেড় দশকে দেশের মানুষের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল এবং সে সময়ের অনেক সংসদ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ছিলেন না। বর্তমান সংসদ জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হওয়ায় এটিকে তিনি ‘জনগণের সংসদ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত এই সংসদের দায়িত্ব এখন তাদের হাতে। আজ থেকে তারা পুরো সংসদের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও মন্তব্য করেন সংসদ নেতা।








