তেল ও বাসভাড়া বৃদ্ধির পেছনে ‘সিন্ডিকেট’ দায়ী: নাসীরুদ্দীন

জ্বালানি তেলের দাম ও গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির জন্য সরকার নয়, বরং একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (২৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সরকার নির্ধারণ করেনি; বরং সিন্ডিকেটের কারসাজিতেই তা বেড়েছে। একইভাবে বাসভাড়াও সরকারি সিদ্ধান্তে নয়, বরং একটি প্রভাবশালী চক্রের ইচ্ছামতো বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
তার এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে চলমান জ্বালানি সংকট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে দেশে পেট্রোল, অকটেনসহ বিভিন্ন জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দেয়। পাশাপাশি বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহেও ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি ছাড়িয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এর সঙ্গে অভ্যন্তরীণভাবে অবৈধ মজুতদারির অভিযোগ যুক্ত হয়ে সংকটকে তীব্র আকার দিয়েছে। ফলে দেশের বহু পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি ফুরিয়ে গেছে এবং বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।
এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, উৎপাদন ব্যবস্থা এবং পরিবহন খাতে।
বিজ্ঞাপন
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক অস্থিরতাও এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত চলমান থাকায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
এদিকে, সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি। তবে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।








