সময়মতো নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দেয়নি বিএনপি-এনসিপিসহ ২৫ দল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ মোট ২৫টি রাজনৈতিক দল। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় পার্টিসহ বাকি ২৫টি দল নির্বাচন কমিশনে (ইসি) তাদের ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৩ মে) ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ব্যয়ের বিবরণী জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী, জাতীয় পার্টি জানিয়েছে যে তারা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কেন্দ্রীয়ভাবে মোট ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা ব্যয় করেছে। এর মধ্যে প্রচারণা কার্যক্রমে ব্যয় হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা এবং স্টাফ ব্যয় বাবদ ৬৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে দলটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আখতার আহমেদ বলেন, এখন পর্যন্ত ২৫টি রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি। যেসব দল হিসাব জমা দিয়েছে, সেগুলোর নথি কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যয় বিবরণী জমা দেওয়ার সময় আরও এক মাস বাড়ানো হতে পারে বলেও জানান তিনি।
ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা রয়েছে সময়সীমা বাড়ানোর। সাধারণত রাজনৈতিক দলগুলো সময় বাড়ানোর আবেদন করে থাকে। তবে এবার এখন পর্যন্ত কোনো দল আনুষ্ঠানিকভাবে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেনি।
এদিকে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিবের কাছে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
বিজ্ঞাপন
জামায়াতের জমা দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, দলটির মোট নির্বাচনী ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২ টাকা। এর মধ্যে ২২৫ জন প্রার্থীকে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছে প্রায় ৪ কোটি টাকা। গড়ে প্রতি প্রার্থীকে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে দলটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, নির্বাচনী ইশতেহার ডিজাইন ও ছাপানো, নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহন, কেন্দ্রীয় নেতাদের সফর এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারের খরচও ব্যয়ের তালিকায় দেখানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ৩০ দিনের মধ্যে এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব কমিশনে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।








