Logo

জামায়াতে ইসলামী একটা ‘অমানুষের দল’: রাশেদ খাঁন

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ মে, ২০২৬, ২০:০৬
জামায়াতে ইসলামী একটা ‘অমানুষের দল’: রাশেদ খাঁন
রাশেদ খান । ফাইল ছবি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে তীব্র সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন সাবেক গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বিএনপির নেতা রাশেদ খাঁন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দলটিকে ‘অমানুষের দল’ বলে আখ্যা দেন এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে জামায়াতের কড়া সমালোচনা করেন।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন। পোস্টটি প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাশেদ খাঁন তার পোস্টে দাবি করেন, অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতিতে সুযোগ করে দিয়েছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দলটিকে সঙ্গে রেখে রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন।

তবে তার ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াত সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি।

বিজ্ঞাপন

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, জামায়াতের আমিরের সাম্প্রতিক এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই তিনি এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক দলের সব সদস্যকে একসঙ্গে “চাঁদাবাজ” বলা বাস্তবসম্মত নয় এবং এটি রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য।

বিজ্ঞাপন

তার ভাষায়, ধর্মীয় ভাবমূর্তি ব্যবহার করে মিথ্যাচার করা হলে তা আরও বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

রাশেদ খাঁন বলেন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি কেবল কোনো নির্দিষ্ট দলের সমস্যা নয়, বরং এটি একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন এবং দলবিহীন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধেও এমন অভিযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে এবং এ ধরনের ঘটনায় গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটেছে।

বিজ্ঞাপন

পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে গণ অধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের সময়কালে যে দুর্নীতি ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে, তা তদন্তে বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানের দাবি কেন দলটি জোরালোভাবে তুলছে না—সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত।

তার মতে, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অনেক রাজনৈতিক দলের নামই সামনে আসতে পারে।

বিজ্ঞাপন

রাশেদ খাঁনের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অভিযোগের প্রবণতা আরও বেড়েছে।

যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD