Logo

ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে: জামায়াত আমির

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৪:২৬
ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে: জামায়াত আমির
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান | ফাইল ছবি

রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনা ভেঙে ফেলার অভিযোগও রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটিতে হামলা চালিয়ে লুটপাটের পর সেটি গুঁড়িয়ে দেন। পরে সেখানে একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে লুটপাট চালানোর পর সেটি গুঁড়িয়ে দেয়।’

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও লেখেন, ‘এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর। রাতের আঁধারে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে রহস্যজনক একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জামায়াত আমির বলেন, ‘কোথায় প্রশাসন, কোথায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী? এর পেছনে কারা রয়েছে, তা আর মোটেই অস্পষ্ট নয়। তাদের পেটের ক্ষুধা কোনোভাবেই নিবারণ হচ্ছে না। তারাই জনগণের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার এই সুযোগটিকে নিশ্চিহ্ন করে দিল।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে। অন্যদিকে চলছে এই খেলা। আর কত দিন এ ধরনের খেলা চলবে? দুষ্কৃতিকারীদের অবশ্যই খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

ঘটনার বিষয়ে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় মামলা করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, হামলার সময় নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা এবং শিশুদের টিকাদানসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছিল। ঘটনার পর কেন্দ্রটির স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি এখন সামনে রয়েছে। কারা হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত এবং ঘটনার পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞাপন

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD