১৭ বছর ধরে ক্ষুধার্ত বিএনপি এখন পারলে পুরো দেশকেই গিলে ফেলে

বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘মবতন্ত্র’ কায়েমের অভিযোগ তুলে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘১৭ বছর ধরে ক্ষুধার্ত বিএনপি এখন পারলে যেন পুরো বাংলাদেশকেই গিলে ফেলে।’ বুধবার (৭ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
পোস্টে সাদিক কায়েম লেখেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বলেছিলেন, মব কালচার শেষ। অথচ বাস্তবতা হলো, বিএনপির দলীয় ক্যাডাররাই এখন সারাদেশে মবতন্ত্র কায়েম করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার পর এবার রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে (ভিসি) মব করে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে সই করানো হয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় এ ঘটনায় জড়িতদের ছবি ও নাম প্রকাশিত হয়েছে।’
সাদিক কায়েমের ভাষ্য, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে এভাবে ৪০-৫০ জন সরকারি দলের ক্যাডার মিলে জোর করে পদত্যাগ করানো নজিরবিহীন একটি ঘটনা।’
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ঠিকাদারি কাজ ও টেন্ডারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের অসন্তোষ থেকেই ওই ঘটনার সূত্রপাত বলে দাবি করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কি দলীয় ক্যাডারদের অনুমতি নিয়ে নিতে হবে?’
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ডাকসুর ভিপি। তিনি বলেন, ‘ভিসির পদত্যাগ যদি রাজনৈতিক চাপ, ঘেরাও আর ভয়ভীতি দেখিয়ে আদায় করা যায়, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো আর কতটুকু স্বাধীন থাকে?’
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মববাজির অভিযোগ তুলে সাদিক কায়েম আরও বলেন, ‘বিএনপির দলীয় ক্যাডার ও সন্ত্রাসীদের এ ধরনের মববাজি কোনো সভ্য সমাজের আচরণ হতে পারে না।’
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া গত সপ্তাহে রাড্ডা ক্লিনিকে বিএনপির সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের ইন্ধনে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও করেন তিনি। তার দাবি, দখল, লুটপাট, হামলা ও মবের ঘটনাগুলো ‘সুপরিকল্পিত ও সুসংগঠিত’।
এসব ঘটনার পাশাপাশি পুলিশ ও বিচার বিভাগের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সাদিক কায়েম।








