Logo

ঈদে অবিক্রীত পশু কার্যকর পরিকল্পনার মাধ্যমে রূপান্তর করা সম্ভব: শাহজামান খান

profile picture
মো. রুবেল হোসেন
২৩ মে, ২০২৬, ১৮:৪৭
ঈদে অবিক্রীত পশু কার্যকর পরিকল্পনার মাধ্যমে রূপান্তর করা সম্ভব: শাহজামান খান
ছবি : জনবাণী গ্রাফিক্স

নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ নিশ্চিতকরণের কাজ করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। সম্ভাবনাময় এই খাতে শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি, খামারিদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ, খাদ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে লাগাম টানতে ও স্বল্পসুদে ঋণপ্রদানসহ নানা সুযোগ-সুবিধা প্রদানে বর্তমান সরকার প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এসব বিষয়ে কথা বলেছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দৈনিক জনবাণী'র নিজস্ব প্রতিবেদক মো. রুবেল হোসেন।

বিজ্ঞাপন

দৈনিক জনবাণী: গত দুই বছরে দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা ৬ লাখের বেশি কমেছে। এর কারণ কী?

মো. শাহজামান খান: বাংলাদেশে কোরবানিযোগ্য পশুর উৎপাদন এখনো দেশের চাহিদা পূরণে সক্ষম। দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা গত দুই বছরে প্রায় ৬ লাখের বেশি কমে যাওয়ার বিষয়টি কিছুটা চাপের সৃষ্টি করলেও সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ এখনো কোরবানির পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। তবে উৎপাদন হ্রাসের পেছনে বেশ কয়েকটি বৈজ্ঞানিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত কারণ একসঙ্গে কাজ করেছে।

প্রথমত, পশুখাদ্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ভুট্টা, সয়াবিন মিল, খৈল, খড় ও ঘাসের দাম বৃদ্ধির ফলে অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারি পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করতে পারছেন না। পুষ্টির ঘাটতির কারণে গবাদিপশুর বৃদ্ধি, ওজন বৃদ্ধি (weight gain) এবং প্রজনন সক্ষমতা কমে যায়, যা সরাসরি উৎপাদনের ওপর প্রভাব ফেলে। দ্বিতীয়ত, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বর্তমানে প্রাণিসম্পদ খাতে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রা, দীর্ঘস্থায়ী বন্যা, খরা ও অস্বাভাবিক আবহাওয়া পশুর শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রমে চাপ সৃষ্টি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, হিট স্ট্রেসের কারণে গরুর খাদ্য গ্রহণ কমে যায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয় এবং প্রজনন হার হ্রাস পায়। ফলে খামারিরা কাঙ্ক্ষিত হারে পশু উৎপাদন করতে পারছেন না। তৃতীয়ত, চারণভূমি ও কৃষিজমি সংকুচিত হওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে প্রাকৃতিক ঘাসের জমি কমে যাচ্ছে। ফলে অনেক খামারিকে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক খাদ্যের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যা ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পশুরোগ, বিশেষ করে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অর্থনৈতিক দিক থেকেও অনেক ক্ষুদ্র খামারি উচ্চ উৎপাদন ব্যয় ও বাজারে মূল্য অনিশ্চয়তার কারণে খামার ছোট করে ফেলেছেন বা সাময়িকভাবে উৎপাদন কমিয়েছেন। ব্যাংক ঋণ ও সহজ আর্থিক সহায়তার সীমাবদ্ধতাও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। তবে ইতিবাচক দিক হলো, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কৃত্রিম প্রজনন, উন্নত জাত উন্নয়ন, ভ্যাকসিনেশন, খামার ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন স্থিতিশীল রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। বিজ্ঞানভিত্তিক খামার ব্যবস্থাপনা, উন্নত পুষ্টি সরবরাহ এবং জলবায়ু সহনশীল উৎপাদন ব্যবস্থা সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

বিজ্ঞাপন

দৈনিক জনবাণী: ঈদে অবিক্রীত গরু-ছাগলের ক্ষেত্রে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে?

মো. শাহজামান খান: ঈদে অবিক্রীত গরু-ছাগলের বিষয়টি কার্যকর পরিকল্পনার মাধ্যমে সম্ভাবনায় রূপান্তর করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকার খামারিদের সহায়তায় সহজ শর্তে ঋণ পুনঃতফসিল ও স্বল্পসুদে পুনঃবিনিয়োগ সুবিধা দিতে পারে। পাশাপাশি ডিজিটাল পশুর হাট ও অনলাইন বাজার সম্প্রসারণ করলে খামারিরা আরও সহজে ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে পারবেন। কোল্ড চেইন ও মাংস সংরক্ষণ সুবিধা বাড়ানো হলে অবিক্রীত পশুর মাংস সংরক্ষণ ও বাজারজাত করা সহজ হবে। সমবায়ভিত্তিক বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তুললে খামারিরা সংগঠিতভাবে লাভবান হতে পারবেন। এছাড়া প্রশিক্ষণ ও সঠিক বাজার তথ্য প্রদান ভবিষ্যতে পরিকল্পিত উৎপাদন ও টেকসই প্রাণিসম্পদ খাত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দৈনিক জনবাণী: মিথেন গ্যাস নিরসনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভূমিকা কী?

বিজ্ঞাপন

মো. শাহজামান খান: প্রাণিসম্পদ খাত থেকে নির্গত মিথেন গ্যাস কমাতে অধিদপ্তর উন্নত খাদ্য ব্যবস্থাপনা, সুষম রেশন, উচ্চ উৎপাদনশীল জাত উন্নয়ন, গোবর ব্যবস্থাপনা এবং বায়োগ্যাস প্রযুক্তি সম্প্রসারণে কাজ করছে। এছাড়া জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই খামার ব্যবস্থাপনা প্রচারের মাধ্যমে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। "One Health" ও "Climate Smart Livestock" ধারণাকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

দৈনিক জনবাণী: প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে অধিদপ্তরের ভূমিকা কী? ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

মো. শাহজামান খান: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, পরামর্শ সেবা, টিকা ও চিকিৎসা সহায়তার মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে কাজ করছে। যুব ও নারীদের জন্য খামারভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিপণন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আধুনিক ও বাণিজ্যিক খামার স্থাপন, নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিজ পণ্য উৎপাদন, কোল্ড চেইন ও প্রসেসিং শিল্প সম্প্রসারণ এবং রপ্তানিমুখী উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বৈদেশিক বাজারে প্রাণিজ পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহার, জলবায়ু সহনশীল খামার ব্যবস্থাপনা এবং বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাতকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের অন্যতম প্রধান খাতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

দৈনিক জনবাণী: নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিত করতে প্রাণীর স্বাস্থ্য ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে কী ধরনের করণীয় রয়েছে?

মো. শাহজামান খান: নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিত করতে রোগমুক্ত উৎপাদন ব্যবস্থা, মানসম্মত খাদ্য, নিয়মিত টিকাদান, বায়োসিকিউরিটি, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং খামারিদের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইসাথে অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার, খাদ্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণ এবং স্লটারহাউস ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন। "Farm to Fork" নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত তদারকি জরুরি।

দৈনিক জনবাণী: “সবার আগে বাংলাদেশ” লক্ষ্য বাস্তবায়নে নিরাপদ প্রাণিজাত পণ্য উৎপাদনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভূমিকা কী?

বিজ্ঞাপন

মো. শাহজামান খান: ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নিরাপদ প্রাণিজাত পণ্য উৎপাদনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, আমদানি নির্ভরতা হাস এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নিরাপদ দুধ, মাংস ও ডিম উৎপাদনের মাধ্যমে জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, রোগ নিয়ন্ত্রণ, টিকাদান কার্যক্রম এবং মানসম্মত পশুখাদ্য ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রাণিজাত খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও রপ্তানিমুখী প্রাণিসম্পদ উৎপাদন সম্প্রসারণের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ নিশ্চিত করে হালাল মাংস, দুগ্ধজাত পণ্য ও অন্যান্য প্রাণিজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানির সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান ক্রমান্বয়ে সুদৃঢ় হচ্ছে।

দৈনিক জনবাণী: পশুচিকিৎসা সেবার গুণগত মান উন্নয়ন এবং আধুনিক রোগ নির্ণয়ে কী ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে?

মো. শাহজামান খান: দেশব্যাপী ভেটেরিনারি হাসপাতাল ও ল্যাবরেটরি আধুনিকায়ন, অনলাইন সেবা, মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক, রোগ নজরদারি এবং আধুনিক ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণে কাজ চলছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ল্যাব সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষ জনবল উন্নয়ন এবং দ্রুত রোগ শনাক্তকরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

দৈনিক জনবাণী: প্রাণিসম্পদ খাতে নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সমৃদ্ধ করতে কীভাবে ভূমিকা রাখা হচ্ছে?

মো. শাহজামান খান: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর-এর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। হাঁস-মুরগি পালন, ছাগল ও ভেড়া পালন, দুগ্ধ উৎপাদন এবং ক্ষুদ্র খামারভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম দেশের গ্রামীণ অঞ্চলে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হওয়ায় নারীরা ঘরে বসেই আয়মুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় নারীদের জন্য আধুনিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান, উন্নত প্রযুক্তি ও পশুস্বাস্থ্যসেবা সহায়তা, টিকা কার্যক্রম এবং বাজারজাতকরণে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে। এর ফলে নারীরা উৎপাদন বৃদ্ধি, পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন এবং ন্যায্যমূল্যে বাজারে বিক্রয়ের সুযোগ লাভ করছেন।

দৈনিক জনবাণী: গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির জাত উন্নয়ন এবং সেবার পরিধি সম্প্রসারণে অধিদপ্তরের প্রধান লক্ষ্য কী?

বিজ্ঞাপন

মো. শাহজামান খান: উচ্চ উৎপাদনশীল, রোগসহনশীল ও জলবায়ু উপযোগী জাত উন্নয়নই প্রধান লক্ষ্য। একইসাথে কৃত্রিম প্রজনন সম্প্রসারণ, জেনেটিক উন্নয়ন, উন্নত খামার ব্যবস্থাপনা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে উৎপাদন ও খামারির আয় বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

দৈনিক জনবাণী: আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, রোগ প্রতিরোধ এবং সমন্বিত প্রাণী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ খাত কতটা স্বনির্ভর হতে পারে?

মো. শাহজামান খান: ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা, অনলাইন রোগ নজরদারি, ই-ভেটেরিনারি সেবা, ট্রেসেবিলিটি এবং দ্রুত সতর্কীকরণ ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাত আরও দক্ষ ও স্বনির্ভর হতে পারে। "One Health” ভিত্তিক সমন্বিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা মানুষের স্বাস্থ্য, প্রাণিস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞাপন

দৈনিক জনবাণী: গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সুষম খাদ্য নিশ্চিত করণে কী ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে?

মো. শাহজামান খান: উন্নত ঘাস চাষ, সাইলেজ ও হে উৎপাদন, বিকল্প খাদ্য উপাদান ব্যবহার, মানসম্মত ফিড উৎপাদন এবং খামারিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সুষম খাদ্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসাথে ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

দৈনিক জনবাণী: পশুখাদ্য ও পশুর ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভূমিকা কী?

বিজ্ঞাপন

মো. শাহজামান খান: অধিদপ্তর সরাসরি মূল্য নির্ধারণ না করলেও মান নিয়ন্ত্রণ, নিবন্ধন, মনিটরিং এবং ভেজাল প্রতিরোধে কাজ করে থাকে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সমন্বয়ে বাজার তদারকি, অনুমোদিত ওষুধ ও খাদ্য ব্যবহারে উৎসাহ প্রদান এবং উৎপাদন ব্যয় কমাতে প্রযুক্তি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দৈনিক জনবাণী: সময় প্রদানের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ

মো. শাহজামান খান: আপনাকেও ধন্যবাদ

বিজ্ঞাপন

জেবি/এসডি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD