Logo

দখলদারিত্বে শ্মশানের জমিও ছাড়েননি ইসলামী আন্দোলনের ফিরোজ

profile picture
উপজেলা প্রতিনিধি
উজিরপুর, বরিশাল
১৩ জুন, ২০২৬, ২২:২৭
দখলদারিত্বে শ্মশানের জমিও ছাড়েননি ইসলামী আন্দোলনের ফিরোজ
ছবি: সংগৃহীত

মানুষের জমি, কবরস্থান থেকে শ্মশান-কোনো কিছুই দখল করা বাদ দেননি স্থানীয় মাদ্রাসা শিক্ষক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা মুফতি মাসউদ হাসান ফিরোজ। তিনি ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের উজিরপুর উপজেলা শাখার মুজাহিদ কমিটির সভাপতি হয়েই তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। উজিরপুর গুঠিয়া ইউনিয়নের সবকিছুতেই তার দখলদারত্ব কায়েমের অভিযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী বলছেন, শংকরপুর গ্রামে মাদ্রাসা নির্মান করেই আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়েছেন তিনি। এর পর বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে জমি দখল, ইসলামের আড়ালে মাহফিল ও মাদ্রাসার উন্নয়নের নামে শত কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ মাসউদ হাসান ফিরোজের বিরুদ্ধে।

গুঠিয়া বন্দরে সংখ্যালঘু পরিবারের ১১ শতাংশ জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মান করেন। এমনকি ওই সংখ্যালঘু পরিবার এখন জীবন বাঁচাতে ভিটে-মাটি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে সূত্র জানায়। এ ছাড়া আরেক সংখ্যালঘু পরিবারের শ্মশানের জমি দখল করেন তিনি। শুধু সংখ্যালঘু পরিবারই নয়,বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যলয়ে এক কর্মচারীর বড় একটি জমি দখল করেছেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভুগি গিয়াস উদ্দিন। একই ভাবে শংকরপুরের মামুন সরদার, মুরহুম ওয়াদুদ সরদারের ৬৮ শতাংশ জমি দখল করে মাদ্রাসা নির্মান করেন। যার দাগ নং- । এর ওয়াদুদ সরদারের বড় ছেলে কামাল সরদার ও ছোট ছেলে জামাল সরদার দুবাই থেকে দেশে ফিরে ফিরোজ সরদারের বাবা শহীদ সরদারের কাছে অভিযোগ দেন। তখন ফিরোজের বাবা ওই জমির মূল্য পরিশোধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত জমি কিংবা মূল্য ফেরত দেয়নি। উল্টো ওই সম্পতি মাদ্রাসার নাম করে ফিরোজের নামে জাল দলিল করেন। ওই গ্রামের আব্দুল মান্নান সরদার, শামিম সরদারের জমি দিন-দুপুরে দখল করে দেন। এ ভাবে যত সম্পতি তিনি দখল করেছেন সেই জমির জাল দলিল করেছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভুগিদের। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় শামিম সরদারের পৈত্রিক সম্পতি দখল করে দেন। যে সময় দেখা যায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাসউদ হাসান ফিরোজের নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রীরা সন্ত্রাসীরা ওই জমি দখল করে নিয়ে যায়। সে সময় নিজের জীবন বাচাঁতে ওই স্থান থেকে ছটকে পড়েন জমির মালিক শামিম সরদার। একই ভাবে প্রতি জমি দখল করেন ফিরোজ ও তার বাহিনী।

অভিযোগ সূত্র বলছে, তার দখল-দারিত্ব টিকিয়ে রাখতে স্ত্রীকে ব্যবহার করে অন্যের সম্পত্তি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। এতে কেউ বাধা দিলে স্ত্রীকে দিয়ে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার কৌশল অবলম্বন করেন। সম্প্রতি তিনি গুঠিয়া বন্দরে সংখ্যালঘুদের জমি ওপরে বহুতল ভবন নিজের কব্জায় নিয়েছেন একাই। ঠিক সেই সময় ফিরোজের স্ত্রীর হুমিকা ছিলো লেডি রংবাজ। প্রথমে তিনি কয়েকটি রড হাতে নিয়ে ভবনে প্রবেশ করেন। এর পর ওই সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা সমাধান না করে ওই ভবনে প্রবেশ না করার অনুরোধ করেন। উল্টো ফিরোজের স্ত্রী ওই সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যদের নারী নির্যাতনের মামলার হুমকি দিলে ঘটনা স্থান থেকে পালিয়ে যান তারা। ওই সময় ফিরোজ তার স্ত্রীকে ঘটনা স্থান ত্যাগ না করার জন্য বলেন। ফিরোজের স্ত্রীর আতঙ্কে ওই ভবনে আর সংখ্যালঘু পরিবারের কেউ যায়নি বলে জানা গেছে। পরের দিন স্ত্রীকে দিয়ে মিথ্যা মামলা সাজানো ঘটনা ফাঁস হয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যলয়ে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেন এক সংখ্যালঘু পরিবার। অভিযোগে বলা হয় মাদ্রাসা উন্নয়নের টাকা আত্মসাৎ করে নিজের নামে সম্পত্তি করেন ফিরোজ। গুঠিয়ায় একক আধিপত্য গড়ে ওঠেছে। হিন্দু জায়গার পাশে দুই কিংবা তিন শতাংশ জমি ক্রয় করে পুরো হিন্দু সম্পত্তি দখল করে শত শত শতাংশর মালিক হয়েছেন তিনি। তা ছাড়া গুঠিয়া ইউনিয়নের নামধারী কিছু সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তার সখ্যতা রয়েছে। ওই এলাকার অধিকাংশ কিশোর গ্যাং সদস্যদের অর্থদাতা এই ফিরোজ। এদের দিয়েই এলাকায় দখলদারি করছেন। এর বাইরেও তার নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী রয়েছে। তাদের লেবাস দেখে হঠাৎ করেই কেউ বুঝতে পারবে না যে তারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত। সব মিলিয়ে ফিরোজের শত কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। একজন মাদ্রাসার শিক্ষক কিভাবে রাতারাতি শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। গড়ে তুলেন গাড়ি-বাড়ি অঢল সম্পদ।

আওয়ামী লীগের ১৭ বছর শাসন আমলে বরিশাল-২ আসনের মনিরুল ইসলাম মনি, ইউনুস তালুকদার কিংবা শাহে আলমসহ এই তিন সংসদ সদস্যকে ফিরোজ তার বাড়িতে দাওয়াত নিয়ে জামাই আদর করেন। এমকি তাদের দামি উপহার দেন। তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাধে হয়ে উঠেন উজিরপুরের মুকুট বিহীন স¤্রাজ্যর রাজা। এর থেকে তার দখল দারিত্ব আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেন।

সূত্র বলছে, এক সময় গুঠিয়া হাট মসজিদ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মসজিদের নাম করে কালিজিরা নদী দল করে মাদ্রাসা নির্মান ও গাছেন বাগান করেন। এর পর থেকেই সেই খাস জমি এখন তার কব্জায় রয়েছে। এসব নদী ভরাট করে মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। অভিযোগ আছে, এর নেপথ্যে কাজ করেছেন ফিরোজ।

বিজ্ঞাপন

শুধু সরকারি জমি কিংবা শ্মশানের জমি নয় গুঠিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদের কোষাধ্যক্ষ দায়িত্ব পেয়ে দানবক্সের টাকাও আত্মসাৎ করেন ফিরোজ। সেই সময় ওই পদ থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়। এরপর তিনি গুঠিয়া হাট জামে মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব পেয়ে মাহফিলের নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। এই টাকা নিয়ে ইমামের সঙ্গে কথার কাটাকাটি হলে, ইমামকেই চোর বানিয়ে তারিয়ে দেন।

এ বিষয়ে মসজিদের একাধিক মুসল্লি বলেন, ফিরোজ একজন নাম করা চাঁদাবাজ। তিনি মসজিদ মাদ্রাসা মাহফিল ও উন্নয়নের নাম করে প্রবাসীদের কাজ থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করেন। আর সেই টাকা দিয়ে নিজের নামে সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। জানা গেছে, মসজিদের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা বলে প্রবাসীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন তিনি। সেই টাকা মসজিদ তহবিলে না দিয়ে আত্মসাৎ করেন।

এদিকে ফিরোজ শংকরপুর বাইতুর নূর জামে মসজিদের জমি দখলে নিতে তিনি ওই মসজিদ বন্ধের পরিকল্পনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও আব্দুল কাদের সরদার গং, আব্দুর রশিদ সরদার গং, হাতেম আলী হাওলাদার গং ও গুঠিয়া শ্রী অবদূত আশ্রমের (বালা বাড়ি) সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলে নিয়েছে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

আসিফ নামে এক প্রবাসী বলেন, ফিরোজ বিভিন্ন বাহানায় আমার কাছে লাখ লাখ টাকা চাঁদা নিয়েছেন। আমি সব সময় সমজিদ মাদ্রাসায় দান করি। তাই সে ফোন করলে আমি টাকা পাঠিয়ে দিতাম। পরে শুনি সে আমার নামে কোনো টাকায় জমা দেননি। মসজিদ মাদ্রাসার চাঁদা তোলা তার ব্যবসা। এই প্রতারকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

নাম প্রকাশে আনিচ্ছুক একাধিক প্রবাসী বলেন, ফিরোজ একজন চিহ্নিত প্রতারক। সে সব জমি দখলে নেশায় ব্যস্ত থাকেন। তার একটি নিজস্ব বাহিনী রয়েছে। জমি পছন্দ হলেই জমির মালিককে নানা কৌশলে মামলায় ঢুকিয়ে দখলে দেন ফিরোজ। প্রতিবাদ করতে গেলেই চরমোনাই পীরের ভয় দেখানোই ছিল তার আসল কৌশল। তার বিরুদ্ধে কথা বললেই মামলায় ঢুকিয়ে ভুক্তভোগিকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে মিছিল করার হুমকি দিতেন ফিরোজ। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের কাদে ভর করে জমি দখলে নেশায় ব্যস্ত ছিলো। এখন শুরু করেছেন সংখ্যালঘু পরিবারের উপর নির্যাতন। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই মিথ্যা মামলা ও হামলার ভয় দেখান। তাই কেউ ভয়ে সাহস করেন না।

৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাতারাতি ভোল পাল্টিয়ে জামায়াতের শিবিরে হয়ে গেছেন ফিরোজ। মুখে চরমোনাই, অন্তরে শিবির। আর সহযোগিতায় নেপথ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগ। এরপর থেকে ফিরোজ ও তার বাহিনীর সদস্যরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। হাসিনার পলায়ন ও ফ্যাসিস্ট সরকারে পতনের মধ্য দিয়ে দেশবাসী নতুন মুক্তির স্বাদ পেলেও গুঠিয়ায় এখনও ত্রাসের রাজত্বে ভয়ে তটস্থ দিন যাপন করছে। মুফতি ফিরোজ বাহিনীর অন্যায়-অপরাধের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না এই অঞ্চলের মানুষ।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয় গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহীন হাওলাদার বলেন, সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে আমার সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই; বরং গুঠিয়ার ঐতিহ্যবাহী বালাবাড়ির হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে ইসলামি আন্দোলনের নেতা ও মাদ্রাসা শিক্ষক মুফতি মাসউদ হাসান ফিরোজের বিরোধ রয়েছে। তিনি বলেন, “আমি কেবল অন্যায় দখলের প্রতিবাদ করেছি।”

তিনি আরও জানান, আমি ঘটনার সময় উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার মানববন্ধনস্থল থেকে মাইকে গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহীন হাওয়াদার ও সাধারণ সম্পাদক লাভলু চাপরাশিকে উদ্দেশ্য করে কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন বক্তব্য দেওয়া হয়। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে গেলে তাদের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। শাহিন হাওলাদারের দাবি, উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিবুল ইসলামের হস্তক্ষেপে তিনি রক্ষা পান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পর তার সমর্থকরা সন্ধ্যা নদীতে খেয়া পারাপারের জন্য উজিরপুর থেকে গুঠিয়া গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় স্বর্ণের চেইন, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং কয়েকজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জসিম চোকদার ও ফয়েজ নামের দুই ব্যক্তি বাদী হয়ে পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, মুফতি মাসউদ হাসান ফিরোজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জমি-সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার উজিরপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। সেই সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্বীকার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বরিশালের উজিরপুরে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কিছু নেতাকর্মীর কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, গালিগালাজ ও হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) উজিরপুর উপজেলা শাখা। গতকাল শনিবার উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এস. এম. আলাউদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উজিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহীন হাওলাদার এবং গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লাভলু চাপরাসীসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কিছু নেতাকর্মী কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান, গালিগালাজ এবং হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ এ ধরনের কর্মকা-কে রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পরিপন্থী উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

বিএনপি নেতারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে কোনো অবস্থাতেই কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা সহিংসতা গ্রহণযোগ্য নয়। তারা উজিরপুরে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সংযম, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয় উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পক্ষে দুটি পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD