Logo

যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণ

profile picture
মো. রুবেল হোসেন
১৪ জুলাই, ২০২৬, ১৩:৫০
যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণ
ছবি: হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের উদ্ধর্তন হিসাবরক্ষক মো. মাসুম রেজার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পে আউটসোর্সিং ও দৈনিক মজুরি ভিত্তিক জনবল নিয়োগ দেওয়ার জন্য একের অধিক ব্যক্তির নিকট থেকে ঘুষ গ্রহণ করার ভিডিও সামনে এসেছে।

ঘুষ গ্রহণের ভিডিওতে দেখা যায়, জুয়েল তালুকদার নামক এক ব্যক্তির নিকট থেকে টিস্যুকালচার ল্যাবরেটরি কাম হটিকালচার সেন্টার প্রকল্পে দৈনিক মজুরি ভিত্তি নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, ঘুষ গ্রহণ করার সময় তিনি বলেন "এ টাকা আমি নিব না, ওনারা আছে ওনারাই নেবে"। যদিও টিস্যুকালচার ল্যাবরেটরি কাম হটিকালচার সেন্টার প্রকল্পের আওতায় ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নির্মাণাধীন হটিকালচার সেন্টারে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগে করে সৌমিক আরাফাত জানা যায়, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের উদ্ধর্তন হিসাবরক্ষক মো. মাসুম রেজা ও একই প্রকল্পের গাড়ি চালক শফিকের নেতৃত্বে শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। সৌমিক আরাফাতকে চট্টগ্রাম কৃষি অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অফিস সহায়ক নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্যে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা চুক্তি হয়। সে অনুযায়ী গত ১৩ মে গাড়ি চালক শফিকের স্ত্রী আকলিমা বেগমের সোনালী ব্যাংকের (২২১২***৯০৯) হিসেবে ১ লাখ টাকা প্রদান করে সৌমিক আরাফাত। যদিও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে গত মাসে গাড়ি চালক শফিককে চুক্তিভিত্তিক চাকরি থেকে প্রকল্প অফিস অব্যাহতি দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও মাসুম রেজার বিরুদ্ধে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের একের অধিক ব্যক্তিকে আউটসোর্সিং বা দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে ঘুষ গ্রহণ করে নিয়োগ দিয়েছে।

সৌমিক আরাফাত জানান, " আমাকে অফিস সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এরপর আমি চাকরি না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে মাসুম রেজার নিকট টাকা ফেরত চাইলে তিনি জানান, ঘুষের টাকা কি ফেরত হয়?"

যদিও চট্টগ্রাম কৃষি অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবদুল মান্নান দৈনিক জনবাণী কে বলেন, সৌমিক আরাফাত নামক এক ব্যক্তি এই প্রকল্পে

বিজ্ঞাপন

দৈনিক মজুরি ভিত্তি মাত্র এক সপ্তাহ কাজ করছে তবে আমি মাসুম রেজা নামক কোন ব্যক্তিকে চিনিনা।

এ প্রসঙ্গে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের উদ্ধর্তন হিসাবরক্ষক মো. মাসুম রেজার প্রথমে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগটি অস্বীকার করেন কিন্তু পরে ভিডিও ও অভিযোগের কপি প্রদর্শন করলে বিষয়টি সমাধান হয়েছে বলে জানান।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD