তৃণমূল থেকে প্রতিভা খোঁজার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

দেশজুড়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে শনিবার (১ মে) থেকে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি।
বিজ্ঞাপন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কর্মসূচির সূচনা করবেন তারেক রহমান। সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে তিনি দেশব্যাপী জেলা স্টেডিয়ামগুলোর হাজারো প্রতিযোগীর সঙ্গে যুক্ত হবেন।
আশির দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগকে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরির একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্যে লুকানো ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিকাশের সুযোগ দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য।
বিজ্ঞাপন
এই আয়োজনে মোট ৮টি ইভেন্ট রাখা হয়েছে—ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট।
এবারের আসরে অনলাইনে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৯ জন কিশোর-কিশোরী নিবন্ধন করেছে, যার মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৪৬ জন ছেলে এবং ৪৪ হাজার ১৩৩ জন মেয়ে। সর্বাধিক আবেদন এসেছে সিলেট জেলা থেকে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, ইউনিয়ন থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ধাপে ধাপে প্রতিভা বাছাই করা হবে। পুরো দেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিযোগিতা পরিচালনা করা হবে—ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও কুমিল্লা।
বিজ্ঞাপন
প্রতিটি খেলায় নকআউট পদ্ধতি এবং দাবায় সুইস লিগ পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। ব্যক্তিগত ইভেন্টে হিট ও ফাইনাল রাউন্ডের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে।
অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের জন্য ভাতা, জার্সি ও সনদপত্র প্রদান করা হবে। জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিতদের জন্য আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প, বিকেএসপি ভর্তি সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্রীড়া উন্নয়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রতিযোগিতায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং মেধা যাচাই সঠিকভাবে করতে বিশেষ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তায় মেডিকেল টিমও নিয়োজিত থাকবে।
তিনি বলেন, অতীতের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে এখন মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যাতে তৃণমূল থেকে সত্যিকারের প্রতিভা উঠে আসে।








