পিএসজির বিপক্ষে বিব্রতকর রেকর্ড নয়্যারের

সাম্প্রতিক সময়েই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়ে আলোচনায় ছিল বায়ার্ন মিউনিখ। ওই ম্যাচে অসাধারণ পারফরম্যান্সে নায়ক ছিলেন জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার। পরে দ্বিতীয় লেগে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিয়ে অ্যাগ্রিগেটে ৬-৪ ফলাফলে রিয়ালকে বিদায় করে দেয় বায়ার্ন।
বিজ্ঞাপন
তবে সেই একই নয়্যার এবার ভিন্ন এক হতাশার রাতে মুখোমুখি হয়েছেন। সেমিফাইনালের প্রথম লেগে প্যারিস সাঁ জার্মেই-এর বিপক্ষে মাঠে নেমে ৪-৫ ব্যবধানে হেরে যায় বায়ার্ন। এই ম্যাচেই ব্যক্তিগতভাবে একটি বিব্রতকর রেকর্ড গড়েন তিনি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নয়্যার ম্যাচে পাঁচটি গোল হজম করেন এবং একটি শটও ঠেকাতে পারেননি। অর্থাৎ, পিএসজির নেওয়া প্রতিটি অন-টার্গেট শটই গোল হয়ে যায়। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নকআউট পর্বের পরিসংখ্যান সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর ২০১০ সালের পর এই প্রথম কোনো গোলরক্ষক এমন রেকর্ডের অংশ হলেন।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচ শেষে নয়্যার নিজের ব্যর্থতা নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পিএসজির বেশিরভাগ গোলই ছিল অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে নেওয়া শট, যেগুলো ঠেকানো প্রায় অসম্ভব ছিল। কিছু ক্ষেত্রে কাছাকাছি পৌঁছালেও শেষ পর্যন্ত বল আটকাতে পারেননি তিনি। একটি পেনাল্টিও ছিল গোলগুলোর মধ্যে।
তিনি আরও বলেন, কিছু ক্ষেত্রে ভাগ্যও পিএসজির পক্ষে ছিল, কারণ কয়েকটি আক্রমণে বল পোস্টে লেগে বা রক্ষণভাগের চেষ্টায় ফিরে আসে। তবে পাঁচ গোল হজম করলে শুধু গোলরক্ষক নয়, পুরো ডিফেন্সকেই চাপের মধ্যে পড়তে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ম্যাচে নয়্যারের চেয়ে বেশি ভুগেছে বায়ার্নের রক্ষণভাগ। দ্রুতগতির আক্রমণ, থ্রু-পাস এবং আক্রমণভাগের ধারাবাহিক চাপ সামলাতে ব্যর্থ হয় দলটি। পিএসজির খিচা কাভারৎসখেলিয়া, উসমান দেম্বেলে ও দেজিরে দুয়ে বারবার বায়ার্ন ডিফেন্সকে ভেঙে আক্রমণে সফল হন।
বিজ্ঞাপন
তবে নয়্যার দ্বিতীয় লেগে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা প্রকাশ করেছেন। আগামী ৬ মে ফিরতি লেগ অনুষ্ঠিত হবে বায়ার্নের মাঠ অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনা-তে। তিনি বলেন, দল ভালো খেলতে পারলে পিএসজির রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করা সম্ভব। পাশাপাশি ডিফেন্স আরও সংগঠিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।








