ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে টানলেন লিটন, তুলে নিলেন সেঞ্চুরি

মাত্র ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন লিটন দাস। একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ধৈর্য ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তুলে নেন নিজের সেঞ্চুরি। যখন একের পর এক ব্যাটার সাজঘরে ফিরছিলেন, তখন একাই লড়াই চালিয়ে যান এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। ১৩৫ বল মোকাবিলা করে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান লিটন। লাল বলের ক্রিকেটে এটি তার ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।
বিজ্ঞাপন
প্রথম ইনিংসে ৭২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২৫৫ রান। ১১২ রানে অপরাজিত রয়েছেন লিটন দাস। অন্য প্রান্তে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন শরিফুল ইসলাম।
ব্যাটিংয়ে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মুহাম্মদ আব্বাসের করা ইনিংসের প্রথম বলই লাইন মিস করেন জয়। তবে সেটি লেগ স্টাম্পের বাইরে হওয়ায় লেগ বিফোর থেকে বেঁচে যান। দ্বিতীয় বলে তিনি স্লিপে ক্যাচ দেন। তাতে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয় এই ওপেনারকে।
বিজ্ঞাপন
শুরুর সেই ধাক্কা সামলে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মুমিনুল-তানজিদ মিলে। ভালো শুরুর আভাস দিয়েও অভিষিক্ত ওপেনার তানজিদ ৩৪ বলে ২৬ রানে থামেন। তার বিদায়ে ভাঙে ৪৪ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি।
এরপর দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল-শান্ত’র জুটি বেশিক্ষণ টিকেনি। খুররম শাহজাদের দারুণ এক ডেলিভারি মুমিনুলের ব্যাট ফাঁকি দিয়ে অফ স্টাম্প ভেঙে দেয়। ৬৩ রানে ৩ উইকেট হারালেও বাংলাদেশকে শক্ত ভিত গড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন শান্ত-মুশফিক। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা শান্ত উইকেটে থিতু হয়েও ফিরেছেন শট খেলতে গিয়ে দুটানায় পড়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে। তার ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।
এরপর মুশফিকও আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি। ৬৪ বলে ২৩ রান করে শাহজাদের বলে লেগ বিফোরের শিকার হয়েছেন তিনি। সাতে নেমে পুরোপুরি ব্যর্থ মেহেদি হাসান মিরাজ। ৪ রান করে তিনি ফিরলে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারায় দল।
বিজ্ঞাপন
দলের এমন বিপদের মুহূর্তে একাই লড়াই শুরু করেন লিটন দাস। তাকে কিছুটা সঙ্গ দেন তাইজুল ইসলাম। ১৬ রান করলেও ৪০ বল মোকাবিলা করেন তিনি, যা লিটনকে থিতু হতে সাহায্য করে। পরে তাসকিন আহমেদকে নিয়েও জুটি গড়ার চেষ্টা করেন লিটন। তবে তাসকিন ১৩ বলের বেশি টিকতে পারেননি।
সব মিলিয়ে এক প্রান্তে দৃঢ়তা দেখিয়ে বাংলাদেশকে বড় বিপর্যয় থেকে টেনে তুলেছেন লিটন দাস। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে আছে বাংলাদেশ।








