হোয়াইটওয়াশের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২৭৪ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

শুরুটা ছিল ধাক্কায়। সৌম্য সরকার ইনিংসের প্রথম দিকেই ফিরে যান, নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিমও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তবে লিটন কুমার দাস ও তাওহিদ হৃদয়ের জুটি বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। পরে মোসাদ্দেক হোসেনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবং শেষদিকে লিটনের ফিফটিতে ভর করে অস্ট্রেলিয়াকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ।
বিজ্ঞাপন
রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ২৭৪ রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন তাওহিদ হৃদয়। লিটন কুমার দাস ৫৮ এবং মোসাদ্দেক হোসেন ৫৫ রান করেন।
আরও পড়ুন: দারুন শুরুর পর চোটে মাঠ ছাড়লেন লিটন
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই আউট হন সৌম্য সরকার। জেভিয়ার বার্টলেটের অফ স্টাম্পের বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে ব্যাটে কানায় লেগে স্টাম্প ভেঙে যায়। মাত্র ৪ বলে ২ রান করে ফিরে যান তিনি।
বিজ্ঞাপন
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ভাঙে ৫১ রানের জুটি। ম্যাট রেনশর অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে মিড অনের ওপর দিয়ে খেলতে গিয়ে টাইমিং মিস করেন তামিম। রাইলি মেরেডিথের হাতে ধরা পড়েন তিনি। ২০ বলে ১৯ রান করেন তানজিদ হাসান তামিম।
এরপর রেনশর বলেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। ৫০ বলে ২৪ রান করে বিদায় নেন শান্ত। ১৫তম ওভারে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
বিজ্ঞাপন
তিন উইকেট হারানোর পর লিটন কুমার দাস ও তাওহিদ হৃদয় মিলে ইনিংস গুছিয়ে নেন। দুজনের জুটিতে আসে ৯২ রান। তবে পায়ের পেশিতে টান লাগায় ৪৮ রানে থাকা অবস্থায় মাঠ ছাড়তে হয় লিটনকে, এতে ছন্দপতন ঘটে জুটিতে।
এরপর মোসাদ্দেক হোসেন নেমেই আক্রমণ শুরু করেন। ৩৬ ও ৩৭তম ওভারে টানা দুই ওভারে তিনটি চার মারেন তিনি। অপর প্রান্তে ফিফটি পূর্ণ করার পর তাওহিদ হৃদয়ও রান তোলার গতি বাড়ান। ৪৬তম ওভারে আউট হওয়ার আগে ৮৮ বলে ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন হৃদয়।
হৃদয় ফেরার পরের ওভারে ৪৩ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন মোসাদ্দেক হোসেন। শেষদিকে ইনজুরি কাটিয়ে ৪৯তম ওভারে আবার মাঠে ফেরেন লিটন। ফিরে এসেই ওয়ানডেতে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বল হাতে দুটি করে উইকেট নেন জেভিয়ার বার্টলেট ও ম্যাট রেনশ।








