হাইতি ম্যাচের পর পরিসংখ্যান বলছে ফাইনাল খেলবে ব্রাজিল!

হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন ব্রাজিল সমর্থকরা। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু হয়েছিল মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র দিয়ে, যেখানে দলের স্বাভাবিক ছন্দ অনুপস্থিত ছিল। ফলে কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ‘হেক্সা’ শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে শঙ্কাও তৈরি হয়।
বিজ্ঞাপন
তবে দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ায় ব্রাজিল। ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধেই তিন গোলের লিড নেয় সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোল এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি দৃষ্টিনন্দন গোল দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে গোল না বাড়লেও পুরো ম্যাচজুড়ে নিয়ন্ত্রণ ছিল ব্রাজিলের দখলে।
ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোলের সঙ্গে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত এক গোল ব্রাজিলকে স্বস্তির লিড এনে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে যদিও সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল, ব্যবধান আরও বাড়ানোর। কিন্তু সেই ধার দেখা না গেলেও ম্যাচের লাগাম ব্রাজিলের হাতেই ছিল।
বিজ্ঞাপন
এই ৩-০ ব্যবধান এখন সমর্থকদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে। কারণ পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বকাপে এর আগে চারবার প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থাকা ম্যাচের পর প্রতিবারই ফাইনালে উঠেছিল ব্রাজিল।
ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৫০ সালে দুইবার, ১৯৯৮ সালে একবার এবং ২০০২ সালে একবার। এর মধ্যে ১৯৫০ সালে উরুগুয়ে ও ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের কাছে ফাইনাল হারলেও, ২০০২ সালে জার্মানিকে হারিয়ে পঞ্চম বিশ্বকাপ জিতেছিল ব্রাজিল।
বিজ্ঞাপন
তবে ফুটবলে পরিসংখ্যান সব সময় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয় না। তবুও হাইতির বিপক্ষে এই জয়ের পর ব্রাজিল সমর্থকদের আশা আরও জোরালো হয়েছে—২০২৬ বিশ্বকাপেও হয়তো ফাইনালে দেখা যাবে সেলেসাওদের।








