পিছিয়ে পড়া ব্রাজিলকে হতাশ করছে ইতিহাস

জাপানের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর কঠিন এক পরিসংখ্যানের মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল। ২০০২ সালে পঞ্চম বিশ্বকাপ জয়ের পর নকআউট পর্বে পিছিয়ে থেকে আর কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি সেলেসাওরা।
বিজ্ঞাপন
নকআউট পর্বে সর্বশেষ ২০০২ সালের ২১ জুন পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল ব্রাজিল। সেবার কোয়ার্টার ফাইনালে মাইকেল ওয়েনের গোলে ইংল্যান্ড এগিয়ে গেলেও প্রথমার্ধের শেষদিকে রিভালদো সমতা ফেরান। পরে রোনালদিনহো গাউচোর দুর্দান্ত গোলে ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ব্রাজিল।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রতিপক্ষ আগে গোল করার পর ব্রাজিল মোট ১৪টি ম্যাচে জয় তুলে নিয়েছে। এর মধ্যে সাতটি এসেছে গ্রুপ পর্বে। বাকি সাতটি জয় এসেছে নকআউট বা প্রথম রাউন্ডের পরবর্তী ধাপে। তবে এই সাতটির একটি ছিল ১৯৩৮ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। অর্থাৎ নকআউটে পরের রাউন্ডে ওঠা কিংবা শিরোপা জয়ের পথে প্রকৃত অর্থে ঘুরে দাঁড়ানোর ঘটনা রয়েছে ছয়টি।
বিজ্ঞাপন
ব্রাজিলের পাঁচটি বিশ্বকাপ শিরোপার মধ্যে দুটি এসেছে পিছিয়ে পড়ার পর দারুণ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে। ১৯৫৮ সালের ফাইনালে ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই সুইডেন লিড নেয়। তবে ভাভা, পেলে ও জাগালোর গোলের সুবাদে ৫-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জেতে ব্রাজিল।
এর চার বছর পর ১৯৬২ সালের ফাইনালেও শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিল সেলেসাওরা। চেকোস্লোভাকিয়া মাসোপুস্টের গোলে এগিয়ে গেলেও আমারিল্ডো, জিতো ও ভাভার গোল ব্রাজিলকে ৩-১ ব্যবধানের জয় এনে দেয়। সেই জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের করে নেয় ব্রাজিল।








