বিশ্বকাপের মাঝেই প্রাণ হারালেন ফিলিস্তিনি গোলরক্ষক আল-আশকার

ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনায় যখন বিশ্বের ক্রীড়াপ্রেমীরা মেতে আছেন, ঠিক সেই সময় গাজার ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসভিত্তিক ক্লাব খাদামাত খান ইউনিসের গোলরক্ষক সেলিম খাদের আল-আশকার।
বিজ্ঞাপন
ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফার তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার (২৯ জুন) খান ইউনিসের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আল-কারারা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান ৩২ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
ক্লাব পর্যায়ে আল-আশকার খাদামাত খান ইউনিসের হয়ে নিয়মিত খেলেছেন। এছাড়া আল-আকসা স্পোর্টস ক্লাব ও আল-মুসাদ্দার স্পোর্টস ক্লাবের জার্সিতেও মাঠে নেমেছিলেন তিনি। স্থানীয় ফুটবল অঙ্গনে দক্ষ গোলরক্ষক হিসেবে তার পরিচিতি ছিল।
বিজ্ঞাপন
ব্যক্তিগত জীবনেও সম্প্রতি নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন আল-আশকার। মাত্র পাঁচ মাস আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন। বর্তমানে তার স্ত্রী তাদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। পরিবারের সাত ভাইবোনের মধ্যে একমাত্র ছেলে ছিলেন তিনি। ফলে তার মৃত্যু পরিবারে গভীর শোক ও অপূরণীয় ক্ষতির সৃষ্টি করেছে।
ফিলিস্তিনি ক্রীড়া মহলের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ক্রীড়া অঙ্গনের অন্তত ১ হাজার ৯ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৬৭ জনই ফুটবলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, যা দেশটির ফুটবল অঙ্গনের ওপর সংঘাতের ব্যাপক প্রভাবের চিত্র তুলে ধরে।
বিজ্ঞাপন
গাজায় চলমান সংঘাতের কারণে শুধু সাধারণ মানুষই নয়, ক্রীড়াবিদ, কোচ, কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ক্লাবের সদস্যরাও প্রাণহানির শিকার হচ্ছেন। সর্বশেষ সেলিম খাদের আল-আশকারের মৃত্যু সেই দীর্ঘ তালিকায় আরও একটি নাম যুক্ত করল, যা ফিলিস্তিনের ফুটবল অঙ্গনের জন্য এক বেদনাদায়ক ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।








