গ্রিন-স্মিথ জুটি ভেঙে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখলেন শরিফুল

মিচেল স্টার্কের বোলিং তোপে বাংলাদেশ মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর ব্যাট হাতে অস্ট্রেলিয়াও শুরুতে চাপে পড়ে। তবে স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের ৭৭ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত শরিফুল ইসলামের আঘাতে ভাঙে গুরুত্বপূর্ণ এই জুটি।
বিজ্ঞাপন
দ্বিতীয় সেশনে দুই দলের মিলিয়ে সাতটি উইকেটের পতন ঘটে। বাংলাদেশকে অল্প রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর চা বিরতির আগে অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে ৫০ রান সংগ্রহ করে। একপর্যায়ে শরিফুলের জোড়া আঘাতে ৪১ রানের মধ্যেই তিন উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ম্যাট রেনশকে স্লিপে তানজিদ হাসান তামিমের ক্যাচে পরিণত করেন তাসকিন আহমেদ। জেক ওয়েদারাল্ডের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া রেনশ ৮ রান করে ফেরেন। ২২ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
এরপর অষ্টম ওভারে আক্রমণে এসে ম্যাচের পরিস্থিতি আরও বদলে দেন শরিফুল ইসলাম। ওভারের দ্বিতীয় বলেই ট্র্যাভিস হেডকে বোল্ড করেন তিনি। ইনসাইড এজ হয়ে ফেরার আগে হেড করেন ২২ রান।
বিজ্ঞাপন
চার বল পরই শরিফুলের শিকার হন মার্নাস লাবুশেন। মাত্র ৯ বল মোকাবিলা করে ৪ রান করা লাবুশেন বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন। ফলে ৪১ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।
এরপর স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে স্বাগতিকরা। দুজনের ব্যাটে গড়ে ওঠে ৭৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। এতে অস্ট্রেলিয়ার দলীয় সংগ্রহ একশ ছাড়িয়ে যায় এবং বাংলাদেশের ওপর লিডও পঞ্চাশ রানের বেশি হয়।
তবে দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে আবারও আঘাত হানেন শরিফুল। স্মিথকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। মাঠের আম্পায়ার বাংলাদেশের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর রিভিউ নেন স্মিথ। শেষ পর্যন্ত আম্পায়ার্স কল থাকায় সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।
বিজ্ঞাপন
৬টি চারের সাহায্যে ৭৪ বলে ৪২ রান করেন স্মিথ। তার বিদায়ে ১১৮ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। গুরুত্বপূর্ণ জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে আবারও ম্যাচে ফেরানোর সুযোগ তৈরি করেন শরিফুল।
এর আগে মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয় দলটি। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শরিফুল ইসলাম। পরে বল হাতে নিজের কার্যকারিতা দেখিয়ে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই পেসার।








