৩ ক্যামেরায় স্পিনারদের অ্যাকশন বিশ্লেষণ, খুশি মুশতাক

বাংলাদেশ জাতীয় দলের আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা নেই চলতি মাসে। তবে এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে জাতীয় দলের আদলে গড়া স্কোয়াড যাচ্ছে। পাশাপাশি আগামী মাসে রয়েছে টেস্ট ও ত্রিদেশীয় সিরিজ। এর আগে পাওয়া সময়টা কাজে লাগিয়ে পাইপলাইনে থাকা স্পিনারদের নিয়ে বিশেষভাবে কাজ করছেন জাতীয় দলের স্পিন কোচ মুশতাক আহমেদ।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অনুশীলনে ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরেন মুশতাক। তার মতে, স্পিনারদের বোলিং অ্যাকশন বিশ্লেষণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
মুশতাক বলেন, ‘বিসিবির দারুণ এক সিদ্ধান্ত। আমরা এখানে স্পিনারদের অ্যাকশন ভালোভাবে দেখতে পারছি। ৩ ক্যামেরা আছে, ফ্রন্ট, ব্যাক, সাইড। কার অ্যাকশন কেমন স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। রিপিটেবল অ্যাকশন থাকলে চাপের মুখেও ভালো বল করা সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে স্পিনাররা এসেছে, ওদের অ্যাকশন, টেকনিক ও টেকটিক্যাল দিকগুলো আমরা দেখছি। অ্যাকশন খুব গুরুত্বপূর্ণ। পিচ টার্নিং হলে অ্যাকশন হয়ত বড় বিষয় নয়। তবে ফ্ল্যাট পিচে অ্যাকশন, বায়োমেকানিক্সই বড় বিষয় হয়ে ওঠে। রিপিটেবল অ্যাকশন থাকলে ভালো বল করা সম্ভব। আমরা ৩ ক্যামেরার এঙ্গেল থেকে সেটাই যাচাই করছি।’
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পাইপলাইনে থাকা স্পিনারদের নিয়ে সন্তুষ্টির কথাও জানান মুশতাক। তিনি মনে করেন, নিয়মিত এমন ক্যাম্প আয়োজন করলে তরুণ স্পিনারদের আরও কার্যকরভাবে প্রস্তুত করা সম্ভব।
মুশতাক বলেন, ‘স্পিনারদের স্ট্রাকচার খুবই ভালো, পাইপলাইনে অনেক খেলোয়াড় আছে। আমরা খুবই খুশি এটা নিয়ে। এসব ক্যাম্প নিয়মিত হওয়া প্রয়োজন। প্রতি ৩ মাসে এমন ক্যাম্প দরকার।’
শুধু খেলোয়াড় নয়, স্পিনার তৈরির প্রক্রিয়ায় কোচদেরও আরও সম্পৃক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন মুশতাক। তার ভাষায়, ‘শুধু স্পিনারদেরই না, কোচদের নিয়েও কাজ করা উচিৎ। এলাইনমেন্ট, টেকনিক্যাল, টেকটিক্যাল দিকগুলো বোঝা উচিৎ তাহলে ওরাও ভালো স্পিনার গড়ে তুলতে পারবে।’








