ব্রাজিলের মাঝমাঠের সমাধান হতে পারেন ২১ বছরের তরুণ বনতেম্পো

২০২৬ বিশ্বকাপের পর ব্রাজিলের জাতীয় দলে শুরু হয়েছে নতুন করে দল গড়ার প্রক্রিয়া। বিশেষ করে মাঝমাঠে নতুন খেলোয়াড়দের পরখ করছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সেই পরীক্ষায় আলোচনায় উঠে এসেছেন ২১ বছর বয়সী সান্তোস মিডফিল্ডার গ্যাব্রিয়েল বনতেম্পো।
বিজ্ঞাপন
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মাঝমাঠে ছিলেন কাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারেস, লুকাস পাকেতা, ফ্যাবিনহো ও দানিলো সান্তোস। বিশ্বকাপের পর নতুন চক্রে কাসেমিরোকে আর দলে রাখা হয়নি। অন্যদিকে আনচেলত্তি নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের সুযোগ দিচ্ছেন।
এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবেই বনতেম্পো প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন। ২৩ সেপ্টেম্বর ব্রাজিলের নতুন স্কোয়াডে তার নাম ঘোষণা করা হয়। অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে ডাক পাওয়া নয়জন নতুন মুখের একজন তিনি।
জাতীয় দলে প্রথম ডাক পেয়ে নিজের উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়েছেন বনতেম্পো। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের জার্সি পরা তার স্বপ্ন ছিল। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে নিজের সেরাটা দেওয়ার প্রত্যয়ও জানিয়েছেন সান্তোসের এই তরুণ মিডফিল্ডার।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
উবেরাবায় জন্ম নেওয়া বনতেম্পো ছোট বয়সেই সান্তোসের একাডেমিতে যোগ দেন। বয়সভিত্তিক দল পেরিয়ে ধীরে ধীরে ক্লাবটির মূল দলে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। চলতি বছর সান্তোসের হয়ে তার পারফরম্যান্সও তাকে জাতীয় দলের আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
মাঝমাঠে বনতেম্পোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বল পায়ে স্বচ্ছন্দ থাকা এবং আক্রমণ তৈরিতে ভূমিকা রাখা। চাপের মধ্যে ছোট পাসে সতীর্থদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা এবং বল নিয়ে দ্রুত সামনে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতাও রয়েছে তার। প্রয়োজন অনুযায়ী আক্রমণে উঠে আসার ক্ষমতা তাকে বাড়তি বিকল্প হিসেবে তৈরি করেছে।
পজিশন বদলে খেলার সক্ষমতাও বনতেম্পোর বড় গুণ। মূলত মিডফিল্ডার হলেও প্রয়োজনে উইংয়েও খেলতে পারেন তিনি। ফলে মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগের মধ্যে সংযোগ তৈরিতে তাকে ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে আনচেলত্তির।
বিজ্ঞাপন
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচের প্রস্তুতিতেও বনতেম্পোকে অনুশীলনে মূল দলের কাছাকাছি ভূমিকায় দেখা গেছে। ২৯ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের ৪-২ জয়ের ম্যাচেও তিনি ভালো পারফরম্যান্স করেন। ফলে নতুন ব্রাজিল দলে তার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা আরও বেড়েছে।
তবে ২০৩০ বিশ্বকাপের এখনও অনেক সময় বাকি। তাই বনতেম্পোকে এখনই ব্রাজিলের মাঝমাঠের স্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখার চেয়ে আনচেলত্তির নতুন দল গঠনের পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্ভাবনা হিসেবে দেখাই বেশি যুক্তিযুক্ত।








