Logo

মিয়ানমার বিজিপির সদস্যদের দ্রুতই প্রত্যাবর্তন: বিজিবি ডিজি

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
২৪ মার্চ, ২০২৪, ০১:২২
মিয়ানমার বিজিপির সদস্যদের দ্রুতই প্রত্যাবর্তন: বিজিবি ডিজি
ছবি: সংগৃহীত

যা সময়ের সাথে সাথে বিজিবিতে পরিণত হয়

বিজ্ঞাপন

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী জানিয়েছেন, মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ১৭৭ জন পলাতক সদস্যকে শিগগিরই তাদের দেশে প্রত্যাবর্তন করা হবে। 

শুক্রবার (২২ মার্চ) বিকেলে খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিজিবি স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান আরো বলেন, বিজিপি সদস্যদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শিগগিরই তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে আমরা বেশ আশাবাদী। পূর্বে যেভাবে আশ্রিতদের ফেরত পাঠানো হয়েছে সেভাবে তাদেরও ফেরত পাঠানো হবে। স্মৃতিস্তম্ভটি এমন একটি জায়গা যেখানে ১৭৯৫ সালে রামগড় স্থানীয় ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা সময়ের সাথে সাথে বিজিবিতে পরিণত হয়।

বিজ্ঞাপন

স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শনের আগে বিজিবি মহাপরিচালক রামগড় স্থলবন্দর, মৈত্রী সেতু, এবং বাংলাদেশ-ভারত বিজিবি রামগড় ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (আইসিপি) পরিদর্শন করেন। 

বিজ্ঞাপন

বিজিবি প্রধান আইসিপি প্রসঙ্গে বলেন, গত বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্বোধন করেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় অংশে আরেকটি আইসিপি উদ্বোধন করেন। আইসিপি চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনীতি অনেক বেশি সমৃদ্ধ হবে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় অর্থনৈতিক চাকা যেভাবে সচল হয়েছে, সেটি আরও জোরদার হবে এবং ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ হবে। 

বিজ্ঞাপন

দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর থেকে রামগড় স্থলবন্দরটি পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় অবস্থানটি ভিন্ন এমন অবস্থায় নিরাপত্তার বিষয়ে ডিজি বলেন, এ ক্ষেত্রে সিকিউরিটির ডাইমেনশন একটু ভিন্ন আঙ্গিকে থাকবে। সে জন্য এখান পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সাথে যেহেতু এটির সাথে ফেন্ডশিপ ব্রিজ রয়েছে এবং এখানে যে রোড হয়েছে সেটা চট্টগ্রাম পোর্টসহ অন্যান্য জায়গা থেকে দূরত্ব কম। তাই সার্বিকভাবে পারস্পরিক বাণিজ্যের নতুন সমৃদ্ধির দ্বার খুলে যাবে। সবদিক থেকে এটা আরো ত্বরান্বিত হবে।

বিজ্ঞাপন

এ সময় বিজিবি প্রধান বিজিবি স্মৃতিস্তম্ভ এলাকায় সীমান্তবর্তী ২৫০টি দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে চাল-ডাল-চিনিসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এরপর তিনি রামগড় ব্যাটালিয়নের (৪৩ বিজিবি) ব্যাটালিয়ন সদরে সকল স্তরের বিজিবি সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং সকলের সাথে ইফতার করেন। তিনি সংশ্লিষ্টর সবাইকে আভিযানিক, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

বিজ্ঞাপন

বিজিবির ডিজির পরিদর্শনের সময় বিজিবি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন ও প্রশিক্ষণ), চট্টগ্রাম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার, গুইমারা সেক্টর কমান্ডার এবং রামগড় ব্যাটালিয়নের অধিনায়কসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমএল/

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD