তরুণ ভোটারদের নতুন ভরসা আরিফুজ্জামান মামুন

সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে আলোচনা। বিএনপি ও জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন সরব।
বিজ্ঞাপন
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির তরুণ নেতা আরিফুজ্জামান মামুন, যিনি শিক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও সক্রিয় রাজনীতির জন্য দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।
মামুন দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছাত্রদল থেকে রাজনীতির হাতেখড়ি নেওয়া এই নেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক রাজনীতিতে ছিলেন সক্রিয়। পরবর্তীতে তিনি জাসাস-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার কূটনৈতিক বিট প্রধান এবং ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব)-এর সাধারণ সম্পাদক।
তার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতি বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নেই, যা তাকে তরুণ ভোটারদের কাছে আরো গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। সরকারের দমননীতির সময়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতি ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং কৃষক-শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে তিনি নিয়মিত ভূমিকা রাখছেন।
বিজ্ঞাপন
তালা-কলারোয়া আসনের প্রায় অর্ধেক ভোটার তরুণ। স্থানীয়দের দাবি, তারা চান শিক্ষিত ও নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি। তাদের মতে, মামুনই হতে পারেন সেই প্রার্থী যিনি এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।
সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, মনোনয়ন দেওয়া হবে শিক্ষিত, দুর্নীতিমুক্ত ও তরুণদের। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই ঘোষণার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মানানসই প্রার্থী আরিফুজ্জামান মামুন।
সাতক্ষীরা-১ আসনে অতীতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তবে আওয়ামী লীগ এখন মাঠে নেই। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জতউল্লাহ সক্রিয় আছেন, বিএনপির ভেতরে সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব ও সাবেক মেয়র আক্তারুল ইসলামও মনোনয়নপ্রত্যাশী।
বিজ্ঞাপন
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি যদি সত্যিকার অর্থে তরুণ ও পরিচ্ছন্ন নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেয়, তাহলে মামুন হতে পারেন সাহসী সিদ্ধান্ত। তারুণ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
বিএনপির তরুণ এই নেতা বলেন, আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য, দেশের জন্য। দলের দুঃসময়-সুসময় উভয় সময়েই মাঠে ছিলাম। এলাকার মানুষের ভালোবাসাই আমার শক্তি।








