জয়নুল আবদিন ফারুকের স্ত্রীর জানাজায় জনতার ঢল

নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা (৭৩)-এর জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রিয়জনকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন, এলাকায় নেমে আসে শোকের আবহ।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের শিবপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিত্ব এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
এর আগে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় কানিজ ফাতেমা শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বিজ্ঞাপন
সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি অসুস্থ হয়ে পড়লে কানিজ ফাতেমাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার সকালে তিনি ইন্তেকাল করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর পর বুধবার বাদ জোহর রাজধানীর নিকুঞ্জ-১ এলাকার লেক রোডের ৪৩ নম্বর বাসার সামনে মরহুমার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রাজনৈতিক সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার নিজ জেলা নোয়াখালীর সেনবাগে গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জয়নুল আবদিন ফারুক স্ত্রীকে একজন ধর্মপ্রাণ, পরোপকারী ও পরিবারমুখী মানুষ হিসেবে স্মরণ করেন। তিনি মরহুমার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।
বিজ্ঞাপন
এ সময় বক্তব্য দেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন, নোয়াখালী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাবের হোসেনসহ সেনবাগ উপজেলার বিএনপির নেতা, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। বক্তারা মরহুমার জীবনের মানবিক গুণাবলি তুলে ধরে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
বিজ্ঞাপন
জানাজায় ইমামতি করেন সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের চাচাতো ভাই ও হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মহিউদ্দিন রাব্বানী।
কানিজ ফাতেমার মৃত্যুতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, আত্মীয়-স্বজন এবং স্থানীয় বিভিন্ন মহল শোক প্রকাশ করেছে। শোকবার্তায় তার রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।








