Logo

ঝিনাইদহে যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ৩০

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯:৩৫
ঝিনাইদহে যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ৩০
ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে মোহন শেখ (৬৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। নিহত মোহন শেখ বিএনপির কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার মাধবপুর গ্রামে দফায় দফায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু জাহিদ চৌধুরীর সমর্থকদের সঙ্গে শৈলকূপা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার তরিকুল সাদাতের অনুসারীদের বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত বুধবার সন্ধ্যায় এক পক্ষের একজন সমর্থকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।

বিজ্ঞাপন

পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে মোহন শেখ গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আবারও দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে আরও অন্তত ৩০ জন আহত হন এবং কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু জাহিদ চৌধুরী বলেন, মাধবপুর গ্রামে গত ৫/৬ মাস ধরে আমার লোকজনের ওপর বিভিন্ন সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গতকাল সন্ধায় আমার আরও এক সমর্থকের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালাই। সকালে আমার লোকজন বাড়িতেই অবস্থান করছিল। সে সময় প্রতিপক্ষের লোকজন এসে আমার লোকজনের ওপর হামলা করে বিএনপি কর্মী মোহন শেখকে হত্যা করেছে।

বিজ্ঞাপন

উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার তরিকুল সাদাত বলেন, এটা রাজনৈতিক মারামারি নয়, এটা সামাজিক মারামারি। আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারবো না।

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তন্নি খাতুন বলেন, মোহন শেখকে আমরা মৃত অবস্থায় পেয়েছি। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে আব্বাস শেখ নামের একজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর রেফার্ড করা হয়েছে।

শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, মাধবপুর গ্রামের পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত। দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

বিজ্ঞাপন

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD