বিয়ের একমাসের মাথায় প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন নববধূ, অতঃপর..

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিয়ের মাত্র এক মাসের মাথায় প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া এক নববধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর রবিবার (১৭ মে) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সূচনা নামে ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিজ্ঞাপন
নিহত সূচনা ঘাটাইল উপজেলার আইনপুর গ্রামের সোহরাব আলীর মেয়ে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের পরিবার জানায়, পালানোর পরে শহরের কলেজপাড়া এলাকায় প্রেমিক সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায় অবস্থান করছিলেন ওই তরুণী। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার করার পর মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রেমিকের পরিবার। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সবাই।
বিজ্ঞাপন
তারা আরও জানায়, একমাস আগে মধুপুর উপজেলার মাইজবাড়ি গ্রামের আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় সূচনার। গত ১৪ মে রাতে ঘাটাইল উপজেলার সত্তুর বাড়ি গ্রামের সরোয়ারের ছেলে প্রেমিক সাওয়ালের হাত ধরে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয় সূচনা। পরে উভয় পরিবারের সমঝোতায় বিয়ের আশ্বাস দেয়া হয় সাওয়াল ও সূচনাকে। শনিবার রাতে তাদের নিয়ে আসা হয় সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায়। রবিবার বিকেলে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সূচনার মরদেহ। তড়িঘড়ি করে নেওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পরিবারকে জানানো হয় তার মৃত্যুর বিষয়টি। জানানো হয় পুলিশকেও। পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সূচনার বাবা সোহরাব আলীর অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে সংগ্রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবু বলেন, সাওয়াল তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। পারিবারিক সমঝোতার উদ্দেশ্যে সূচনাকে তার বাড়িতে আনা হয়েছিল। তবে ঘটনার সময় তিনি বাসায় উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি করেন।
ঘাটাইল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।








